আজকের বার্তা | logo

৮ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

বেশি বাউন্ডারি মেরে জয়, মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই

বেশি বাউন্ডারি মেরে জয়, মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই

এমন ফাইনালই তো চাই। শেষ বলটি হওয়ার পর মনে হবে, কোনো দলই তো হারেনি! খেলাটাই আসল বিজয়ী। কাল বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনাল শেষে ঠিক এমনটাই মনে হয়েছে। লো-স্কোরিং ম্যাচ কী পরিমাণ উত্তেজনার তৈরি করতে পারে তার প্রমাণ কালকের ফাইনাল। বিশ্বকাপ ক্রিকেট ফাইনালের ইতিহাসে নিঃসন্দেহে সেরা ম্যাচ। অন্য সব খেলাধুলা বিবেচনায় অন্যতম সেরাও। তবে কালকের ফাইনালে যে মানদন্ডের ওপর ভিত্তি করে শিরোপার নিষ্পত্তি হয়েছে তা অনেকেই মেনে নিতে পারেননি। শুধু ক্রিকেটপ্রেমীরা নন, ক্রিকেটার ও সংবাদকর্মীদের অনেকেই বাউন্ডারি-রুলসের সঙ্গে একমত নন।

দুই দলের জন্য নির্ধারিত মোট ১০০ ওভার শেষে ম্যাচ টাই। খেলা তাই গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানেও শেষ বলটির পর ম্যাচ টাই! কিন্তু টাই হলেও জয়ের আনন্দ নিয়ে ছুটেছেন জস বাটলার। বেয়ারস্টো আর জো রুট মেতেছেন জয়োল্লাসে। লর্ডসের গ্যালারিতে ইংলিশ সমর্থকেরাও নিজেদের ঐতিহ্য গাম্ভীর্য ভুলে ভেসেছেন বিশ্বকাপজয়ের আনন্দে। আসলে সুপার ওভারেও দুই দলের স্কোর সমান হলেও খুব অদ্ভুত একটি নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে হার নিশ্চিত হয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের।

সেটি সুপার ওভারের নিয়মের জন্য।সুপার ওভারে যদি দুই দল সমান রান করে তখন বাউন্ডারির হিসাব চলে আসে। মূল ম্যাচ ও সুপার ওভার মিলিয়ে যে দল সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারি মারবে, তারাই জিতবে সুপার ওভার। আর এ হিসেবে ইংল্যান্ড মেরেছে ২৪ বাউন্ডারি, নিউজিল্যান্ড ১৬টি। অর্থাৎ ইংল্যান্ডই জয়ী। অনেকেই বলছেন, এমন ম্যাচে আসলে কেউ হারেনি। অদ্ভুত বাউন্ডারি নিয়মে শিরোপা নির্দিষ্ট কোনো দলের হাতে তুলে না দিয়ে দুই দলকে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা উচিত ছিল।

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার ব্রেট লি যেমন টুইট করেন, ‘ইংল্যান্ডকে অভিনন্দন। দুর্ভাগ্যের জন্য নিউজিল্যান্ডকে সমবেদনা। এটা বলতেই হবে বিজয়ী বেছে নিতে এটা খুব বাজে একটা পদ্ধতি। এ নিয়ম পাল্টাতেই হবে।’ ক্রিকেট পরিসংখ্যানবিদ ও সংবাদকর্মী রজনীশ গুপ্ত টুইট করেন, ‘সুপার ওভারে টাই হলে বাউন্ডারিসংখ্যার ওপর ভিত্তি করে জয়ী নির্ধারণ কখনো পছন্দ হয়নি। যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন করলে এটা বেশি ভালো হতো। এ ম্যাচে শেষ পর্যন্ত কেউ হারেনি।’

খ্যাতনামা ক্রিকেট সংবাদকর্মী ব্রেইডন কভারডেলের টুইট, ‘বিশ্বকাপের নিষ্পত্তি হলো তাহলে অযৌক্তিক নিয়মের ওপর ভিত্তি করে। উইকেটের থেকে তাহলে বাউন্ডারি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এরপর আমাকে আর কখনো বলবেন না, এটা ব্যাটসম্যানদের খেলা নয়।’ অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার ডিন জোন্স টুইট করেন, ‘ডি/এল মেথড রান ও উইকেট হারানোর ওপর ভিত্তি করে বানানো। কিন্তু এখনো চূড়ান্ত ফল নির্ধারিত হলো বাউন্ডারিসংখ্যার ওপর ভিত্তি করে। আমার মতে, এটি ঠিক হয়নি।’

ভারতের সাবেক ওপেনার গৌতম গম্ভীরও চুপ করে থাকতে পারেননি। তাঁর টুইট, ‘এ ধরনের ম্যাচে বাউন্ডারিসংখ্যার ওপর ভিত্তি করে কীভাবে ফল নির্ধারিত হয় তা বোধগম্য নয়। অদ্ভুত নিয়ম। টাই হওয়া উচিত ছিল। দুই দলকেই অভিনন্দন জানাচ্ছি।’ ভারতের সাবেক ক্রিকেটার যুবরাজ সিংয়ের টুইট, ‘নিয়মটির (বাউন্ডারিসংখ্যা) সঙ্গে একমত হতে পারছি না। তবে নিয়ম তো নিয়ম…।

Share Button


দৈনিক আজকের বার্তা

প্রকাশক: মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক: কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল

যোগাযোগ

ঠিকানা: ৫২৫ ফজলুল হক এভিনিউ (কাকলীর মোড়), বরিশাল।
বাণিজ্যিক বিভাগ: 043163954
মোবাইল: 01916582339

Website Design & Developed By

আজকের বার্তার প্রকাশিত-প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।