অসময়ে বৃষ্টিতে বাবুগঞ্জে রবিশস্যের ক্ষতির আশঙ্কা


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ৮:০০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২১, ২০২০

আরিফ হোসেন, বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ::

নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলাও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। আর অসময়ে এ বৃষ্টির কারণে বাবুগঞ্জ উপজেলার রবিশস্যের বীজতলার ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

 

তবে স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গুঁড়ি গুঁড়ি এ বৃষ্টি চলতি আমন ধানের ফলনের জন্য ক্ষতিকর হবে। গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। শনিবার রাত পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত ছিল। বৃষ্টির সঙ্গে কিছুটা শীতও অনুভূত হচ্ছে।

 

আর এ বৃষ্টিতে শীতকালীন সবজি আলু, টমেটো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মুলা ইত্যাদির ক্ষয়ক্ষতি হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। আর এতে করে দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে শাক সবজির দাম আরও বৃদ্ধি পাবে বলেও আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

 

উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আলাউদ্দিন বলেন, অসময়ে এ বৃষ্টির কারণে কৃষকের শীতকালীন সবজি ক্ষেতের ক্ষতি হবে। গত কিছুদিন আগে আমি মুলা আর টমেটো রোপণ করেছিলাম তাও বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দ্বিতীয় বার আবারও রোপণ করেছি, যা এখানকার বৃষ্টির কারণে রবিশস্যের বীজতলা নষ্ট হবে।

এদিকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির কারণে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের লোকজন।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী মো. শাহজাহান খান জানিয়েছেন, দফায় দফায় বন্যায় আমন ধান তলিয়ে কৃষক সর্বশান্ত। এখন অসময়ে ভারী বৃষ্টিপাতে রবি শস্যের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি। এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে হিমশিম খাবেন কৃষকরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারিভাবে বিনামূল্যে বীজ, সার, কীটনাশক সরবরাহ করার ব্যবস্থা করতে হবে। এতে কৃষকরা তাদের এ ক্ষতি কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

অপরদিকে, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে উপজেলার প্রায় ৮ থেকে ১০টি ইটভাটার কাঁচা ইট নষ্ট হয়ে গেছে। এসব ভাটার মালিকেরা নতুন কাঁচা ইট তৈরি করে রোদে শুকাতে দিয়েছিলেন।

ইট ভাটা সংশ্লিষ্টরা জানান, উপজেলার রহমতপুর ও দেহেরগতি ইউনিয়ন সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ায় এবং রোদ না থাকায় ওই সব ভাটার প্রস্তুতকৃত কাঁচা ইট নষ্ট হয়ে গেছে। ওই সব ভাটার কাঁচা ইট ভিজে নষ্ট হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন মালিকরা।