কাঁচাবাজারে অস্থিরতা বেড়েই চলেছে….

প্রকাশিত: ১১:০৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৮, ২০২০

মোঃ জিয়াউদ্দিন বাবু ॥

যতই দিন যাচ্ছে বাজারে জিনিস পত্রের দাম বেড়েই চলছে। ৫০ টাকার নিচে কোনর তরকারি পাওয়া যাচেছ না। বন্যার কারণে চারিদিকে পানি উঠে যাওয়ায় জিনিসপত্রের দাম কমছে না বলে ব্যবসায়ীরা জানান। গ্রামাঞ্চলে পানি ওঠায় জিনিস পত্রের দাম বেড়েই চলছে। কাঁচা মরিচের কেজি এখনো ২ শত টাকা। দেশী হাঁস-মুরগীর ডিম ৫০ টাকা। যা গত সপ্তাহে একই দামে বিক্রি হয়েছে।

কাকরোল বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা করে। ঝিংগা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, ঢেরসও ৫০ টাকা। যা গত সপ্তাহে একই ছিলো। বরিশালের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ অবস্থা দেখা গেছে।

পেঁপে ৩০ টাকা কেজি দরে এবং বরবটি ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। করল্লা বিক্রি হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। কাঁচা কলা ৩০ টাকা হালি বিক্রি করতে দেখা গেছে। পুঁই শাক বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা করে, রেখা বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা করে। এ ভাবে সবজির দাম বেড়েই চলছে। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১ শত ৩০ টাকা করে।

পাঙ্গাস ১ শত ৩০ থেকে ১ শত ৪০ টাকা করে। রুই কাতলা বিক্রি হয়েছে ৩ শত থেকে ৪ শত টাকা করে। ইলিস মাছ বিক্রি হয়েছে ছোট ৫ শত থেকে ৬ শত টাকার মধ্যে। বড় ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১২ শত থেকে ১৩ শত টাকার মধ্যে।

গত সপ্তাহে একই দামে বিক্রি হয়েছে। গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৫ শত ৮০ থেকে ৬ শত টাকার মধ্যে। ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ১ শত ২০ টাকা, লেয়ার বিক্রি হয়েছে ২ শত ৫০ টাকা করে। সোনালী বিক্রি হয়েছে ২ শত ৫০ টাকায়। অপর দিকে আলু ও পিঁয়াজের দামও বেড়ে গেছে। আলু বিক্রি হচ্ছে ৩২ থেকে ৩৫ টাকা করে। পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৬ থেকে ৩০ টাকা করে। এ এভাবেই প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়েই চলছে। জিনিস পত্রের দাম বেড়েই গেলেও চাকুরীজীবীদের বেতন না বাড়ায় তারা এখন বাজারে যেয়ে হিমসিম খাচ্ছেন।

Sharing is caring!