২৪ নারীকে বিয়ে : বাউফলের জালাল বললেন ‘প্রথম স্ত্রী‍ই সেরা’


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ১১:২৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৭, ২০২০

বার্তা ডেস্ক :: পেশায় রিক্সা চালক জালাল ফকির, বয়স ৬০ ছুঁই ছুঁই। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কাছিপাড়া বাজার ও আশপাশে রিক্সা চালিয়ে আয়-রোজগার করেন। তার শ্রমিক জীবনের সোনালী সময় কেটেছে ঢাকায় রিক্সা চালিয়ে। কুঁড়ি বছর বয়সে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ে করে স্ত্রী নিয়ে ঢাকায় পাড়ি জমান। প্রথম সন্তান প্রসবের সময় মারা যান স্ত্রী রেনু বেগম। কিছুদিন পর নুরজাহান নামের আরেক নারীকে বিয়ে করেন তিনি।

 

দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরেও একটি পুত্র সন্তান জম্ম নেয়। কিছু দিন পর রোগাক্রান্ত হয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী মারা যান। প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী ২ সন্তান রেখে মারা যাওয়ায় মানসিকভাবে অনেকটা ভেঙে পড়েন তিনি। এক পর্যায়ে আবার বিয়ে করেন জালাল ফকির। কিছুদিন পর তৃতিয় স্ত্রী মারা না গেলেও তাদের সংসার ভেঙে যায়। এরপর আবার বিয়ে করেন তিনি। এভাবে একে একে ২৪ জন নারীকে বিয়ে করেন জালাল ফকির। প্রত্যেক নারীর সঙ্গেই কিছুদিন সংসার করার পর তাদের দাম্পত্য কলহের সৃষ্টি হয়ে সম্পর্ক ভেঙে যায়। তার ২৪ তম স্ত্রী পিয়ারা বেগমের সঙ্গে প্রায় ৪ বছর আগে বিচ্ছেদ হয়। রংপুরের মেয়ে পিয়ারা বেগম ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন।

 

পিয়ারা বেগমের সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর জালাল ফকির সিদ্ধান্ত নেন তিনি আর বিয়ে করবেন না। এরপর ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরে আসেন তিনি। বর্তমানে তিনি উত্তর কাছিপাড়া গ্রামে বড় ছেলে জামাল হোসেনের সঙ্গে আছেন। তার বড় ছেলে জামাল ইটভাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ২৪ নারীকে বিয়ে করার প্রতিক্রিয়ায় জালাল ফকির বলেন, ২৪ জনের মধ্যে রুপে গুনে আমার প্রথম স্ত্রী সেরা ছিলেন। তার মত আর কারও সঙ্গে সংসার করে শান্তি পাইনি।

 

এখন ছেলের সংসারে আমার খুবই ভাল সময় কাটছে। ভবিষ্যতে আর বিয়ে করার ইচ্ছা আছে কি না এমন প্রশ্নে জালাল ফকির বলেন, অনেক হয়েছে আর বিয়ে করবো না। বিয়ের স্বাদ মিটে গেছে।