১৭ মার্চ উদযাপন হবে বঙ্গবন্ধুর ১০১তম জন্মবার্ষিকী

প্রকাশিত: ৯:০৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১, ২০২১

বার্তা ডেস্ক ॥ আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনলাইনে প্রধান অতিথি হিসেবে গণভবন থেকে এ অনুষ্ঠানে সংযুক্ত হবেন। রোববার (৩১ জানুয়ারি) মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এদিন বিকেলে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সভাকক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতিমূলক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিবছর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাতির পিতার জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।

 

এবছর ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া ও ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মিলনায়তনে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও শিশু দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। সভাপতির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের সৃষ্টি হতো না। সবার সম্মিলিত প্রয়াসে গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযথ মর্যাদায় দেশব্যাপী মুজিববর্ষে এই মহান নেতার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদযাপন করা হবে।

 

সভায় অনুষ্ঠানসূচির বিষয়ে জানানো হয়, ১৭ মার্চ ঢাকায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ও টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সমাধি প্রাঙ্গণে শিশু প্রতিনিধির মাধ্যমে বেলুন ও পায়রা ওড়ানো হবে। জাতির পিতার ম্যুরারের ফলক উন্মোচন করা হবে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করবেন ও অনলাইনে শিশুদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা সদরে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে ক্রোড়পত্র, স্মরণিকা, পোস্টার মুদ্রণ ও প্রকাশ করা হবে। দূতাবাসগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উদযাপন করা হবে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। একই সঙ্গে জেলা ও উপজেলা সদরে বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে আলোচনা, মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পুস্তক ও সপ্তাহব্যাপী ডকুমেন্টারি প্রদর্শন এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রচার করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।