হিজলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষকদের কাছে নীরব চাঁদাবাজীর অভিযোগ

প্রকাশিত: ৩:৩০ অপরাহ্ণ, জুন ১৭, ২০২০

হিজলা প্রতিনিধি ॥ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। এর আওতায় মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা ও কুরআন শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের আলোকিত করবে এটাই মূল লক্ষ্য। কিন্তুহিজলা উপজেলার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এসকল কার্যক্রম নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ। উপজেলার কোন কোন মসজিদে এর কার্যক্রম চলমান আছে তাই জানেনা অনেকেই।

স্থানীয় সংবাদকর্মীরা কোন কোন মসজিদে এর চলমান কার্যক্রম রয়েছে তা জানার জন্য বার বার অফিসে গেলেও পাওয়া যায়নি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের নামের তালিকা। এই তালিকা খুঁজতেই সংবাদকর্মীদের সামনে পড়ে অফিসে বসেই ফিল্ড সুপারভাইজার ও অফিস সহকারীদের চাঁদাবাজীর দৃশ্য। জানাযায়, প্রাক প্রাথমিক ও কুরআন শিক্ষা কার্যক্রমে কাগজপত্রে ৮৬ জন শিক্ষক নিযোজিত রয়েছেন। সম্মানী ভাতা বাবদ তাদের প্রত্যেককে প্রতি মাসে ৪ হাজার ৫ শত টাকা করে দেওয়া হয় তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত প্রত্যেককে ৫ মাসের সম্মানী ভাতা দেওয়া হয়েছে।

তার বিনিময়ে অফিসের ফার্নিচার ক্রয় বাবদ প্রত্যেকের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা দাবী করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার আনোয়ার হোসেন ও অফিস সহকারী মেহেদী হাচান এবং হেমায়েত উদ্দিন এমনটাই জানান টেকের বাজার জামে মসজিদের প্রাক প্রাথমিক ও কুরআন শিক্ষার শিক্ষক আ: করিম, উপজেলা পরিষদ মসজিদের আলী আজগর, চরকিল্লার তরিকুল ইসলাম, হিজলা গৌরবদীর মামুন অর রশিদ, ধুলখোলার মাওলানা ফারুক সহ অনেকেই। আবার অনেকেই বলতে নারাজ তাদের চাকরি না থাকার ভয়ে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক শিক্ষক জানান, তালিকা না দেওয়ার কারণ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান না দিয়েই, অফিস এবং শিক্ষক বেতনের টাকা ভাগাভাগি করেন।

১ হাজার টাকা করে শিক্ষকদের কাছ থেকে কেন উত্তোলন করা হয় এমন প্রশ্নের জবাবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার আনোয়ার হোসেন বলেন, ইমামদের মাসিক চাঁদা হিসেবে তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। কেন ১ হাজার টাকা করে চাঁদা উত্তোলন করা হয় এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম বলেন, টাকা নেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ, যদি টাকা নিয়ে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।