হত্যা চেষ্টা মামলায় সাবেক কাউন্সিলর ইউনুচ কে হাজতে প্রেরণের নির্দেশ

প্রকাশিত: ১০:৩০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১

মোঃ জিয়াউদ্দিন বাবু ॥ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার প্রমিথ আমিনুল পরশকে হত্যা চেষ্টায় সাবেক কাউন্সিলর ইউনুচ মিয়াকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। সোমবার অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুম বিল্লাহ জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন ইউনুচ মিয়াকে। এর আগে কাউন্সিলর ইউনুচ মিয়া পুলিশ রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত জামিনে ছিলেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী শাহজাহান চৌধুরীর বাড়ির ফজলে মাশরুফ খানের কাছ থেকে সদর রোডের হাবিব স্টোর, মধুবন ট্রেডার্স এবং মেটাল বাজার নামক দোকান ও গোডাউনের মালিক ডাঃ এ কে এম আমিনুল হক ও ওয়াজ বদল করে মালিক হন। এর আগে ২০১৪ সালের ১ লা ডিসেম্বর ফজলে মাশরুফ খান এক বছরের চুক্তি করে ইউনুচ মিয়া ও বাদী পূববর্তী মালিককে মাসিক চুক্তিতে দোকান ঘর ভাড়া দেন।

 

চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও নতুন করে কোন চুক্তি পত্র করেননি ফজলে মাশরুফ খান। এ দিকে ডাঃ এ কে এম আমিনুল হক এওয়াজ বদলের মালিকানা বুঝে নেয়ার পর ভাড়াটিয়া ইউনুচ, নুরে আলম খোকন, নীরব হোসেন বাদীকে নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু তারা দোকান ঘর খালি না করে জোরপূর্বক দখলে রাখেন। বিভিন্ন সময়ে লোকজন এসে বাদীকে ভয়ভীতি ও খুনের হুমকি দেয়।

 

এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন ডাঃ এ কে এম আমিনুল হক। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর নগরীর সদর রোড শাহজাহান চৌধুরীর বাড়ীর বাসিন্দা ও বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের চিফ কনসালট্যান্ট ডাঃ এ কে এম আমিনুল হকের বাসায় হামলা চালান সাবেক কাউন্সিলর। এ সময় তার ছেলে ব্যারিস্টার প্রমিথ আমিনুল পরশ প্রতিবাদ করলে আসামীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা চালান। এতে ব্যারিস্টার পরশ গুরুতর আহত হলে তাকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

এব্যাপারে গত বছরের ২৯ অক্টোবর থানায় মামলা দায়ের করেন ডাঃ এ কে এম আমিনুল। মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা সাবেক কাউন্সিলর ইউনুচ মিয়া নুরে আলম, গোলাম সরোয়ার তাওহীদ রহমান, তানজিল আহসান ও তানভীর আহসান কে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। সোমবার জামিনে থাকা সাবেক কাউন্সিলর আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিন বর্ধিত করার আবেদন করলে বিচারক তা না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন।