সৌদি আরবসহ মুসলিম নেতাদের ওপর ক্ষেপেছেন এরদোয়ান, যা বললেন

প্রকাশিত: ১:৩৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২০

সম্প্রতি ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে শতাব্দীর সেরা চুক্তি আখ্যা দিয়ে ‘ডিল অব দ্যা সেঞ্চুরি’ প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রস্তাবে আরবলীগসহ মুসলিম বিশ্বের নেতারা চুপ থাকায় তাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। পাশাপাশি এই চুক্তির বিরোধিতাও করেন তিনি।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ‘জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি’র এক প্রাদেশিক বৈঠকে এই চুক্তির বিরোধিতা করে বক্তব্য দিয়েছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে ‘রয়টার্স’ এবং ‘মিডল ইস্ট মনিটর’।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের প্রস্তাবে মুসলিম নেতাদের নীরবতার সমালোচনা করে এরদোয়ান বলেন, ‘জেরুজালের সব মুসলিমদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ। সৌদি আরব, ওমান, বাহারাইন, আবুধাবি নীরব কেন? আপনারা আর কবে আপানাদের মুখ খুলবেন? আপনারা এই অন্যায়ের সমর্থন করছেন। আপনাদের অবস্থান দেখলে লজ্জা হয়।’

জেরুজালেমের গুরুত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি আল-আকসা মসজিদ রক্ষা করতে না পারি তবে ভবিষ্যতে পবিত্র কাবা শরীফকেও রক্ষা করতে পারব না। এজন্য জেরুজালেম আমাদের রেড লাইন। যে চুক্তির লক্ষ্যই হচ্ছে ফিলিস্তিনের ভূমি দখল করা সে চুক্তি আমরা কখনোই মানব না।’

তুরস্ক ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহতে প্রকাশিত তথ্য মতে, এরদোয়ান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের এই শান্তি চুক্তি ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের ভাগ্যে ‘রক্তাক্ত থাবার’ মতো যা ইসরায়েলকে মানবতার ইতিহাসে সবচেয়ে কুখ্যাত পরিচিতি এনে দেবে। ইহুদী জনগণের সঙ্গে তুরস্কের কোনো সমস্যা নেই। তবে নিজেদের অধিকার থেকে ফিলিস্তিনিদের বঞ্চিত করতে ইসরায়েলের অত্যাচারী সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করবে তুরস্ক।   ‘অবৈধ রাষ্ট্র’ ইসরায়েলকে মেনে নেবে না তুরস্ক।

Sharing is caring!