শেবাচিমে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে ৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ৫:০৩ অপরাহ্ণ, জুন ২৬, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত এবং উপসর্গ নিয়ে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা সোয়া ৭টার মধ্যে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
এ নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে করোনা এবং আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৮৪ জনের মৃত্যু হলো। যার মধ্যে ৩১ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বাকিদের সবার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হলেও পরবর্তীতে তাদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।

সবশেষ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা বৃদ্ধের নাম মো. আব্দুর রশিদ (৮০)। তিনি বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত রেয়াজউদ্দিনের ছেলে।

করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে গত ২৩ জুন সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে শেবাচিম হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। পরে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে তার কোভিড-১৯ পজেটিভ আসে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে খাইরুল বাসার (৪৫) নামের এক ব্যক্তির। তিনি বরিশাল নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডস্থ হযরত শাহপড়ান সড়কের নূর মিয়ার ছেলে।

গত ২৩ জুন বিকাল পৌনে ৬টার দিকে করোনার উপসর্গ নিয়ে তাকে শেবাচিম হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কাউনিয়া এলাকাধীন ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলফাজ উদ্দিনের ছেলে শাহ নেওয়াজ (৬৪) কে শুক্রবার দুপুর ১টায় করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। এর এক ঘণ্টা ২০ মিনিটের মাথায় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

তথ্য নিশ্চিত করে শেবাচিম হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. এসএম মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, ‘করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর পরে শাহ নেওয়াজের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

এছাড়া খাইরুল বাসার নামের ব্যক্তির নমুনা আগেই পরীক্ষার জন্য ল্যাবে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। তাছাড়া মৃতদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Sharing is caring!