রৌমারীতে ৩০ গ্রামের চলাচলের সড়ক বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশংকা

প্রকাশিত: ৮:২৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৮, ২০২০

মাসুদ পারভেজ, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি ::

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি বষর্ণে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রৌমারীর জিঞ্জিরাম নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ভেঙেই চলছে ঐতিহাসিক সড়ক। এতে প্রায় ৪০ হাজার মানুষের উপজেলা শহরের সাথে যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ভারত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সড়কের প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটারের তুরা সড়কের দুপাশে ভেঙে যাচ্ছে। ত্রুটিপূর্ণ কাজ হওয়ায় পাহাড়ি ঢল ও বন্যার পানির ¯স্রোতে অর্ধশতাধিক খাদে পরিণত হয়েছে এই সড়কটির। এতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উপজেলার পূর্ব এলাকার লোকজন চলাচল করছে। এতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে । এই সড়কে দ্বিতীয় বাড়ের বন্যায় সড়কটির কোন ক্ষয়ক্ষতি না হলেও তৃতীয় বারের বন্যার পানির প্রবল ¯স্রোতে ভেঙে যাচ্ছে । যার ফলে ঐতিহাসিক তুরা সড়কটির হারিয়ে যাচ্ছে সৌন্দর্য।

স্থানীয় এলাকাবাসি রাশেদুল ইসলাম, ময়নাল হক, বাচ্চু মিয়া, শফিকুল ইসলাম, আবু সাইদসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, তুরা সড়কের কাজ নিম্নমানের হওয়ায় অল্প পানিতে ভেঙে গেছে। তবে সড়কটি দ্রুত সংস্কার না করা হলে, চর নতুন বন্দর, বামনেরচর, চান্দারচর,ব্যাপারী পাড়া, চরবামোনেরচর, ফুলবাড়ী, নওদাপাড়া ও খাঁটিয়ামারীসহ প্রায় ৩০ গ্রামের মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হবে।

প্রসঙ্গত, ৩৩ কোটি টাকা ব্যয় সাড়ে ৪ কিলোমিটার তুরা সড়কে ৩টি ব্রীজ, ৩টি বক্সকালভার্ড নিমার্ণ করা হয়। আওয়ামীলীগ সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০১৩-১৪ ইং অর্থ বছরে সংসদে ৩৩ কোটি টাকা একনেকে পাশ হয়। এর মধ্যে ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে সাড়ে ৪ কিলোমিটার তুরা সড়ক ও ৩টি বক্সকালভার্ড নির্মাণ করা হয়েছে। অপর দিকে ১১কোটি টাকা ব্যয় ৩টি ব্রীজ নির্মাণ করা হয়।

প্রাথমিক ভাঙন রোধ করতে স্থানীয় জনগন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান কে খবর দিলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে জিও ব্যাগ দিয়ে ভাংগন রোধ করতে চেষ্টা করে ।

সড়ক ও জনপদের কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আলী নুরায়নের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে বলেন, ইতি মধ্যে আমরা ছবি তুলে বন্যা মনিটরিং এ দেওয়া হয়েছে। লোক পাঠিয়েছি তারা ভাংগন রোধে কাজ করছে । পানি কমে গেলে বাকি কাজ করা হবে।

 

Sharing is caring!