রিমান্ড শেষে কারাগারে অমিত-রাফাত, তানভীরের স্বীকারোক্তি

প্রকাশিত: 4:30 PM, October 20, 2019

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আসামি অমিত সাহা ও শামসুল আরেফিন রাফাতকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী এ আদেশ দেন। এর আগে, দ্বিতীয় দফা রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

এছাড়া এ মামলার আসামি খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জাবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগে গত ১৩ অক্টোবর আসামি খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীরকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর পর ১৭ অক্টোবর আদালতে হাজির করে ফের তিন দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এসময় ঘটনার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হয়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় রবিবার আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করলে বিচারক জবানবন্দি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে, এই হত্যা মামলার বিভিন্ন তারিখে আসামি বুয়েটছাত্র ইফতি মোশাররফ সকাল, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, অনিক সরকার, মুজামিদুর রহামান মুজাহিদ, রবিন, মনিরুজ্জামান মানির ও খন্দকার তাবাখ্খারুল ইসলামসহ মোট ৭ আসামি আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের একটি কক্ষে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আবরারের বাবা বাদী হয়ে রাজধানীর চকবাজার থানায় ১৯ জনের নামে মামলা করে। পরে ১৯ আসামিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। আবরার হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত কয়েক দিনে মোট ২০ জন গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে যাদের নাম এসেছে, তারা সবাই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী।

Share Button