রামনা ইউনিয়নবাসীর সেবা করে বেঁচে থাকতে চান জননেতা জাহাঙ্গীর হোসেন

প্রকাশিত: ৭:১৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১

তরিকুল ইসলাম রতন, স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরগুনার বামনা উপজেলার ৩ নং রামনা ইউনিয়নবাসীর সেবক হতে চান বিশিষ্ট শিল্পপতি ও জননেতা জাহাঙ্গীর হোসেন। দীর্ঘদিন জনতার সাথে রয়েছে এই তরুণ রাজনীতিবীদের যোগসাজশ ও ভালোবাসা। যিনি সুখে দুঃখে সব সময়ই নিবেদিত থাকেন অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে। এলাকায় কারো কোন আর্থিক সমস্যা হলে, কেউ কোন বিপদে পড়লে তিনি এগিয়ে যান এবং সাহায্য করেন। স্থানীয় এক প্রবীণ রাজনীতিবিদ বলেন, জাহাঙ্গীর একজন সৎ, আদর্শ ও নীতিবান ছেলে। আমাদের ৩ নং রামনা ইউনিয়নে তার নিজের অর্থ দিয়ে বেশ কিছু নলকূপ বসিয়েছেন। যাতে করে মানুষ খাবার পানিতে কষ্ট না পায়।
তিনি আরও বলেন, জাহাঙ্গীরকে জন্ম থেকেই আমি দেখে আসছি কখনও তিনি কারো সাথে বেয়াদবি এবং কাউকে কখনও গালাগাল করেননি।

 

তাছাড়া এই ইউনিয়নে যারা দুস্থ ও অসহায় মানুষ রয়েছে তাদের নানাভাবে গোপনে আর্থিক সাহায্য ও সাহযোগিতা করে আসছেন তিনি। আমি তার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের কাছে জাহাঙ্গীরের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত ইউপি নির্বাচনে জাহাঙ্গীর দলীয় বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচন করেছিলেন এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিতও হয়েছিলেন। কিন্তু তাকে জোর করে সেই নির্বাচনে হারানো হয়েছিলো। জনতার উল্লাসে মুখরিত ছিলো ৩ নং রামনা ইউনিয়নবাসী। আমরা মনে করেছিলাম জাহাঙ্গীর ভাই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন, পরে শুনি অন্যজন। তখন মনটা খারাপ হয়েছিলো।

 

তিনি আরও বলেন, ৩ নং রামনা ইউনিয়নে জাহাঙ্গীর ভাইয়ের অসংখ্য জন সমর্থন রয়েছে। তিনি মানুষকে নিমিষেই আপন করে নিতে পারেন। কেউ কোন সমস্যায় পড়লে তিনি তার পাশে দাঁড়ান। এছাড়াও প্রতি ঈদ – কোরবানিতে তিনি গরিবদের নানা সাহায্য ও সাহযোগিতা করে থাকেন।
তাই তার জন সমর্থন দেখে অন্য প্রার্থীরা তাকে দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করে এবং তাকে জোর করে হারানো হয়।
জননেতা জাহাঙ্গীরের বিষয়ে আরও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তৃণমূলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা, আস্থা এবং ভালোবাসা অর্জন করেছেন এই সমাজসেবক। পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন তিনি।

 

এই যোগ্য ও আদর্শবান নেতাকে আগামী ইউপি নির্বাচনে ৩ নম্বর রামনা ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী। তাদের মতে, এসব যোগ্য প্রার্থীকে সব সময় মূল্যায়ন করা উচিত।
বামনার এক প্রবীণ রাজনীতিবিদ বলেন,বর্তমানে তিনি বামনা উপজেলা বিএনপির সিঃ যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক- হিসেবে সম্মানের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। আমরা চাই এসব যোগ্য নেতাকে মূল্যায়ন করা হবে এবং ৩ নং রামনা ইউপি নির্বাচনে জনগণ তাকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।
তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারিতে খেটে খাওয়া অসহায় ও কর্মহীন মানুষদের মাঝে তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে খোঁজ -খবর নিয়েছেন এবং চাল, ডাল, আলুসহ খাবার পণ্য নিয়ে অসহায়, গরিব ও মধ্যবিত্ত সহ অনেকের দরজায় হাজির হয়েছেন।

 

যিনি সবসময় ৩ নং রামনা ইউনিয়নবাসী সকলের সুখ- দুঃখে পাশে থেকেছেন। এমনকি অসহায় পরিবারের পাশে থেকে তিনি সবসময় খোঁজ খবর নিয়েছেন। এবিষয়ে তরুণ সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি নগণ্য এক রাজনীতিবিদ, আমার বিষয়ে যারা বলেছেন তারা একটু বাড়িয়ে বলেছেন। আমি জন্ম থেকেই শিখেছি কিভাবে মানুষের পাশে থেকে মানুষকে ভালোবাসা যায়। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করেছি এবং করছি কিভাবে গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে থাকা যায়। আমি গত ইউপি নির্বাচনে ৩ নং রামনা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচন করেছিলাম। আমার জনসমর্থন দেখে অন্য প্রার্থীরা আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানিসহ ভয়-ভীতি দেখিয়েছিলো এবং আমাকে জোর করে গত নির্বাচনে হারানো হয়েছিলো।

 

তিনি আরও বলেন, এবারও আমি নতুন বছরের অঙ্গীকার নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে যাচ্ছি এবং ইউপি নির্বাচনে নাকি জাতীয় কোন প্রতীক থাকবে না। তাই আমি শতভাগ বিশ্বাস করি যদি প্রতীক না থাকে তাহলে আমি বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবো। এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আর আমি যদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই তাহলে আমার মূল উদ্দেশ্য থাকবে দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন গড়া।

তাই নতুন বছরে ইউপি নির্বাচন হোক সুষ্ঠু, সুন্দর, আনন্দ ও উৎসব মুখর পরিবেশে। আমার জন্যে সবাই দোয়া করবেন।