মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়ায় জেলা পরিষদের জমি দখল করে বসত ঘর ও সীমানা প্রাচীর নির্মান।


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৮, ২০২১

মনির দেওয়ান, মেহেন্দিগঞ্জ ॥

বরিশাল জেলা পরিষদের জমিতে অবৈধ ভাবে বসত ঘর ও সীমানা প্রাচীর নির্মান করা হয়েছে। জমিটিতে থাকা পুকুর লিজ নিয়েও দখলবাজের তোপের মুখে ইজারাদার লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলাধীন দক্ষিন উলানিয়া ইউনিয়নের ৬৬নং রাজাপুর মৌজার ২নং খতিয়ানের  ৩৪৫/৩৪৬নং দাগে জেলা পরিষদের পুকুর ও পুকুরের চারপাশ নিয়ে ০১ একর ২৭ শতাংশ জমি অবৈধ ভাবে দখল করে নিয়েছে ভূমি খেকোরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলা পরিষদের জমিতে থাকা পুকুরের দুই পাড় দখল করে সেমিপাঁকা বসত ঘর নির্মান করে বসবাস করছেন স্থানীয় খালেক সরদারের দুই ছেলে মিলন সরদার ও আলমগীর সরদার। এই জমিতে থাকা পুকুর স্থানীয় মৎস্য চাষী মাহাবুব আলম আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে ০৩ বছরের জন্য লিজ নিয়েছেন। কিন্তু বেদখলকৃত পুকুরটি মাছ চাষের উপযোগী করতে ঘটনা স্থলে গেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ ও প্রান নাশের হুমকী দেন দখলকারী আলমগীর সরদারের স্ত্রী কোহিনুর বেগম। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সম্মুখে প্রকাশ্যে ইজারাদারকে হুমকী দিয়ে বলেন, প্রয়োজনে খুনখারাপী হবে তবুও ইজারাদার মৎস্যচাষী মাহাবুব আলমকে পুকুর ভোগ দখল করতে দিবেন না। বিষয়টি জেলা পরিষদের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করলে গত মাসে পরিষদের সার্ভেয়ার ও মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল উলানিয়া রাজাপুর গ্রামে এসে জেলা পরিষদের জমিতে থাকা পুকুর ও পুকুর পাড়েরর ০১ একর ২৭ শতাংশ জমিতে আলাদা সীমানা পিলাঢ় পুতে দিলেও পরবর্তীতে সেই সীমানা পিলাঢ় উত্তোলন করে ফেলে দেয় আলমগীর সরদার গংরা। ইজারাদার মাহবুব আলম জানান, পুকুরের কাছে গেলে তাকে প্রাননাশ সহ নারী নির্যাতন মামলা দিবেন বলে হুমকি দিয়ে আসছেন অবৈধ দখলকারী আলমগীর সরদারের স্ত্রী। এবিষয়ে আলমগীর সরদারের মুঠোফোনে ফোন দিয়ে তাকে পাওয়া না গেলেও তার স্ত্রী কুহিনুর বেগম বলেন, ত্রিশ বছর আমরা এখানে বসবাস করছি, আমরাই পুকুর খাবো। জেলা পরিষদ মাহবুবকে কোন পুকুর লিজ দেয়নি, দিলেও সে খেতে পারবেনা। স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু কালাম বলেন, কয়েকদিন আগে বরিশাল জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার সহ পুলিশ প্রশাসনের লোকজনের উপস্থতিতে ওই জমিতে সীমানা পিলাঢ় দেওয়া হয়। কিন্তু সেই পিলাঢ় নাকি দখলকারীরা উত্তোলন করে সেমিপাঁকা ঘর নির্মান করেছে।