মুলাদীতে গোসলের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ভাবীকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত: ৭:০৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৪, ২০২০

কে.এম মোশাররফ হোসেন, মুলাদী প্রতিনিধি ::

মুলাদীতে গোসলের নগ্ন ভিডিও ধারণ এবং তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের সাহেবেরচর গ্রামের হাবিব আকনের ছেলে সাইফুল আকন (২৫) তার বড় ভাই হানিফ আকনের স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভাবী। এঘটনায় গত ১ ডিসেম্বর বড় ভাবী বাদী হয়ে দেবর সাইফুল আকনসহ ৫ জনকে আসামী করে মুলাদী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

 

ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ জানান, প্রায় ৬ বছর আগে হানিফ আকনের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী চাকুরির সুবাদে বাড়িতে না থাকায় সাইফুল বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ার বিয়ের ৫/৬ মাসের মাথায় সাইফুল গোপনে তার ভাবীর গোসলের নগ্ন ভিডিও চিত্রধারণ করেন। পরবর্তীতে তা ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি তার শ্বশুর-শাশুড়িকে জানালেও তারা এর প্রতিবাদ না করে চুপ থাকায় সাইফুল বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। ওই গৃহবধূর ৪ বছরের সন্তানও ধর্ষণের ফলেই জন্ম হয়েছে বলে দাবী করেছেন তিনি।

 

দেবরের অত্যাচারে ওই গৃহবধূ ৩ বছর আগে তার স্বামীর কর্মস্থলে গিয়ে থাকতে শুরু করেন। ১৫/১৬দিন আগে গৃহবধূ অসুস্থ স্বামীর কাছে আসলে তার দেবর পুনরায় গোসলের নগ্ন ভিডিও দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হন এবং ১ ডিসেম্বর মুলাদী থানায় সাইফুল আকন, শ্বশুর হাবিব আকন ও শাশুড়ি ছাহেদা খাতুনসহ ৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

 

এ বিষয়ে ছাহেদা খাতুন জানান, আমার বড় ছেলে প্রায় ৩ বছর ধরে অসুস্থ এবং শারীরিক ভাবে অক্ষম। কিন্তু আমার ছোট ছেলে সাইফুল তার ভাবীকে ধর্ষণ করেছে এটা বিশ্বাস যোগ্য নয়। এব্যাপারে মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ ফয়েজ উদ্দীন মৃধা জানান, গৃহবধূর অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।