মঠবাড়িয়া সমাজসেবা অফিসে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কাছে ঘুষ দাবির অভিযোগ

প্রকাশিত: ৮:৪২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৩০, ২০২১

মো. শাহজাহান, মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি ॥ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় উপজেলা সমাজসেবা অফিসের বিরুদ্ধে একটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ফাইল আটকিয়ে ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। এক বছরের অধিক সময় অযৌক্তিক অজুহাতে কালক্ষেপণ করায় সাংবাদিকদের বিষয়টি অবগত করেছে ভুক্তভোগী ওই পরিবারটি।

 

জানা গেছে,উপজেলার তুষখালী গ্রাম নিবাসী মৃত হিঙ্গল উদ্দিন এর পুত্র নয়া মিয়া (আনসার) ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাহার লাল মুক্তিবার্তা ক্রমিক নং – ৬০৫০৬০২১৯, বেসামরিক গেজেট পৃষ্ঠা ও তারিখ ৩৪০৬,১৪-০৫-২০০৫,গেজেট নং-৭১২,মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত সাময়িক সনদপত্র নং ম-৬৮৮৯৭,তারিখ ২৯/১২/২০০৪। বীর মুক্তিযোদ্ধা নয়া মিয়া (কমান্ডার) সম্মানী ভাতাধারী ছিলেন। তার মৃত্যুর পর স্ত্রী আছিয়া খাতুন ভাতাধারী ছিলেন।

 

আছিয়া খাতুনের মৃত্যুর পর পরবর্তী ভাতাধারী ছিলেন পুত্র আঃ মান্নান। তার মৃত্যুর পর ভাতাধারী ছিলেন জ্যেষ্ঠ পুত্র আঃ আজিজ। অতঃপর আঃ আজিজ মৃত্যুবরণ করেন। বর্তমানে এফিডেভিডকারী পুত্র কন্যাগণ পিতার মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা উত্তোলন করার জন্য বা ভাতাধারী হওয়ার জন্য মোঃ বাবুল হাওলাদার এর উপর দায়িত্বভার অর্পণ করেন। এফিডেভিড নং ৩০ তাং, ০১.০৩.২০২০ খ্রি. মঠবাড়িয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত, মঠবাড়িয়া, জেলা-পিরোজপুর। কিন্তু সমাজসেবা অফিস চাহিদামত উৎকোচ না পেয়ে ফাইল আটকিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা উত্তোলনে প্রতিবন্ধকতা ও হয়রানী করে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
এ ব্যাপারে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত হোসেন রাজা জানান, মুক্তিযোদ্ধা অফিস থেকে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সমাজসেবা অফিসে অগ্রগামী করা হয়েছে। সমাজসেবা অফিস রেজুলেশন করলেই সংশ্লিষ্ট ভাতাধারী যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভাতা উত্তোলন করতে পারবেন।

 

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আখলাকুর রহমান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জানান, বিষয়টি সদ্য বদলি হওয়া অফিসার মোঃ আতাউর রহমান এর সময়ের কাজ। এটি সমাধান করতে উপজেলা কমিটির একটি মিটিং দরকার। খুব শীঘ্রই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করব।