মঠবাড়িয়ায় বলেশ্বর নদের বেড়িবাঁধ ভেঙে তিন শতাধিক পরিবার পানিবন্দি


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ১:১৩ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৩, ২০২০

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরে মঠবাড়িয়ায় খেতাঁছিড়া গ্রামে বলেশ্বর নদের বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে তিন শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবতার জীবন যাপন করছে । কয়েকদিনে একটানা বর্ষায় ও জোয়ারে পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বেড়িবাঁধটি স্থানীয় দুলাল চাপরাসির বাড়ীর সংলগ্ন থেকে ভেঙ্গে যাওয়ায় এ জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে ।

পরিবারগুলোর যাতায়াতের রাস্তা তলিয়ে গেছে । উঠান, রান্নাঘর, গোয়াল ঘর, তলিয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবার বসতবাড়ী ছেড়ে নিরাপদ স্থানে অশ্রায় নিয়েছে । কোন কোন পরিবার তাদের আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে । বেড়িবাঁধ বেষ্টিত এলাকায় ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গেছে । ভেসে গেছে পুকুরের মাছ ।জালাল, এমাদুল সরদার, ইয়াছিন, আলমগীর চৌকিদার, আলম হাওলাদারের ঘের তলিয়ে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মাছ ভেসে গেছে ।
স্থানীয় কুদ্দুস, দুলাল, রত্তন, জালাল, এমাদুল সরদারসহ ভূক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবী আমরা ত্রান চাই না বেড়িবাঁধ চাই । বেড়িবাঁধটি নির্মান হলে আমরা মাছ ধরা সহ অন্যান্য পেশায় থেকে জীবিকা নির্বাহ করতে পারব । সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্ব দেওয়া উচিত ।

২০০৭ সালের সিডরের পর খেঁতাছিড়া বলেশ্বর নদের এই বেড়িবাঁধটি নির্মান কারা হয় । সিডরে ৩৫ জন মানুষ মারা যায় । বলেশ্বর বাজার সংলগ্ন তাদের গন কবর রয়েছে ।পানির উচ্চতা বৃদ্বি পাওয়ায় বেড়িবাঁধটি পুনঃনির্মান করা না হলে আবারো অনেক জীবন বিপন্ন হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা ।
২২ আগষ্ট শনিবার দুপুরে সাংবাদিকদের উপস্থীতি টের পেয়ে অনেক নারী পুরুষ কোমড় সমান পানির মধ্য দিয়ে ত্রান দিবে মনে করে দৌড়িয়ে আসলে সংবাদিকগন তাদের পরিচয় দিলে তারা একটি দাবী করেন যে, সরকার যেন আমাদের বেড়িবাঁধটি পুনঃনির্মান করে দেন। বর্তমানে জোয়ারের পানিতে বেড়িবাঁধটি তলিয়ে যায়। সংবাদিকদের মাধ্যমে আমাদের মমতাময়ী মা প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি পেতে চাই। তিনি দেখলে এতদিনে হয়তো সেনাবাহীনি পাঠিয়ে আমাদের দুর্ভোগ কবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতেন।

এ ব্যাপারে পিরোজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, জোয়ারের পানি কমলেই ভেঙ্গে যাওয়া পয়েন্টে বাঁধটি পুনঃনির্মান করা হবে ।জনদুর্ভোগ বিবেচনা করে খুব শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।