ভোলা চরফ্যাশনে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

প্রকাশিত: ৩:২১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০২০

বুধবার (২২ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার রসুলপুরি ইউনিয়নের শারিকখালী এলাকার তেঁতুলিয়া নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় বিল্লালের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত বেল্লাল হোসেন চরফ্যাশন উপজেলার চর কুকরি-মুকরি এলাকার হাসান উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, বুধবার সকালে স্থানীয়রা রসুলপুর ইউনিয়নের শারিকখালী এলাকার তেঁতুলিয়া নদীতে সুকানী বেল্লাল হোসেন মৃতদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসে। পরিবার জানায় দীর্ঘদিন যাবৎ বেল্লাল সুকানি হিসাবে চাকরী করে বালুর জাহাজে গত শনিবার সন্ধ্যার থেকে নিখোজ হয়,তখন কর্মস্থানে এসে খোঁজ করে এবংবিষয়টি থানাতে জানায় তখন পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল বেল্লালকে উদ্ধারে গত চার দিনে ধরে তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালায়। এছাড়াও বেল্লালের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার রিতুসহ পরিবারের লোকজন মিলে তার খোঁজে গত চার দিন ধরে নদীর পাড়ে অবস্থান করছেন। সর্বশেষ বুধবার সকালে স্থানীয়রা শারিকখালী এলাকার তেঁতুলিয়া নদীতে বেল্লালের ভাসমান লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। এদিকে বেল্লাল হোসেনের নিখোঁজের ঘটনায় তার ভাই মাহাবুব হাওলাদার বাদী হয়ে শশীভূষণ থানায় জাহাজের তিন মালিকসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলার আসামিরা হলেন- জাহাজ মালিক মানিক হাজারী, সোহান সিকদার ও মানিক সিকদার এবং জাহাজের স্টাফ আক্তার হোসেন, সুজাউদ্দিন, এমরান ও ওমর। পরে মামলায় অভিযুক্ত জাহাজের স্টাফ আক্তার হোসেন, সুজাউদ্দিন, এমরান ও ওমরকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম লাশ উদ্ধারের ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানোর হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে মৃত্যুর আসল রহস্য জানা যাবে। পরিবার এবং এলাকাবাসীর সুষ্ঠু তদন্ত চায়

Sharing is caring!