ভেট্টরি বললেন, নাঈম যা পেরেছে, অনেকেই তা পারেনি

প্রকাশিত: ২:৩৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০

বিসিবির সঙ্গে ১০০ দিনের চুক্তিতে আয় কর সহ ড্যানিয়েল ভেট্টরির প্রতিদিনের বেতন প্রায় ৩ হাজার ডলার। এত দামি যে কোচ, বাংলাদেশের স্পিনারদের তিনি আসলে কি শেখাচ্ছেন? স্পিনাররাই বা কতটা নিতে পারছেন সাবেক নিউজিল্যান্ড অধিনায়কের কাছ থেকে? এসব নিয়ে কৌতূহল থাকাই স্বাভাবিক। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ইনডোরে আজ সেই কৌতূহল কিছুটা হলেও মেটাতে পেরেছেন ভেট্টরি।

ভেট্টরি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের তরুণ স্পিনারদের প্রতিভাকে ঘষে মেজে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের উপযোগী করে গড়ে তোলাই তাঁর মূল দায়িত্ব, ‘আমার কাজ হচ্ছে তরুণ বাংলাদেশি স্পিনারদের অনুপ্রাণিত করা। তাদের সঙ্গে কথা বলা। অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায় থেকে উঠে আসা তরুণ স্পিনারদেরও আমি টেলিভিশনে দেখেছি। আমার কাজ কেবল জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সাহায্য করাই নয়, তরুণদেরও গড়ে তোলা, তাদের সাহায্য করা।’

নভেম্বরে ভারত সফর দিয়ে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে কাজ করা শুরু করেছেন। তবে নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন পাকিস্তান সফর থেকে। উপমহাদেশের দুই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ভেট্টরির ছাত্ররা তেমন কিছুই করতে পারেননি। তবে এই প্রথমবারের মতো সাবেক কিউই স্পিনারের মুখে চওড়া হাসি এনে দিয়েছেন অফ স্পিনার নাঈম হাসান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে তাঁর ৯ উইকেট ভেট্টরিকে কিছুটা হলেও প্রাপ্তির আনন্দ দিয়ে থাকবে। তবে তিনি সবচেয়ে বেশি স্বস্তি পাচ্ছেন তাঁর ছাত্রদের প্রতিভা দেখে, ‘আমি খুবই ভাগ্যবান যে আমি বেশ কিছু তরুণ প্রতিভাবান স্পিনারের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। ওদের প্রতিভা জাতীয় দলের স্পিনারদের মতোই। এই যে নাঈম হাসান, সে তো দুই বছর আগে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের স্পিনার ছিল! এই দুই বছরে সে নিজেকে আরও পরিণত করেছে। তরুণ বোলারদের বেশির ভাগই জানে কীভাবে পারফরম করতে হয়। আমার কাজটা হচ্ছে তাদের বোঝানো এই কাজটা কতটা ভালোভাবে করতে পারবে।’

নাঈম ছাড়াও জাতীয় দলের মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলামদের সঙ্গে কাজ করছেন ভেট্টরি। নাঈমকে তিনি দেখেন একটু অন্য চোখেই, ‘দেখুন স্পিনাররা যত বেশি সুযোগ পাবে, তারা তত বেশি পরিণত হয়ে উঠবে। নাঈম তরুণ অবস্থায় সুযোগ পেয়েছে। আমি মনে করি ও যেটা পেরেছে, অনেকেই সেটা পারে না। মিরাজ এখনো তরুণ। তাইজুল বেশ অভিজ্ঞ। বাংলাদেশ দলের স্পিনাররা সবাই-ই প্রতিভাবান। তাদের সবারই নিজের খেলাটা আরও ভালো করার সামর্থ্য আছে।’

Sharing is caring!