ভারতের করোনা ভ্যাকসিন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাবে বাংলাদেশ: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

প্রকাশিত: ৫:২৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৯, ২০২০

বার্তা ডেস্ক ॥

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে বুধবার ( ১৯ আগস্ট) বৈঠকে শেষে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ভারত করোনার টিকা তৈরি করতে পারলে সেটা শুধু ভারতের জন্যই নয়, বাংলাদেশেও দেয়া হবে। বাংলাদেশেও ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ কোনো কাজ করার সুযোগ থাকলে সেটাও করা হতে পারে বলে জানান তিনি। এ সময় শ্রিংলা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত বাংলাদেশকে সহায়তা করবে।

অনেকটা আকস্মিক সফরে ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের ঢাকায় আসা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছিল। গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করা হয়, দিল্লির বিশেষ বার্তা নিয়ে ঢাকায় এসেছেন শ্রিংলা। বুধবার ঢাকায় উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। হোটেল সোনারগাঁওয়ে বৈঠকের পর বেলা আড়াইটার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মাসুদ বিন মোমেন এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে কিছু গণমাধ্যমে যে আপত্তিকর খবর প্রকাশ করা হচ্ছে সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে এবং এসব বন্ধে দুই পররাষ্ট্র সচিব একমত বলেও জানানো হয়। দিল্লির বিশেষ বার্তা নিয়ে শ্রিংলা ঢাকায় এসেছেন। সেই বার্তা কী? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, দিল্লির বিশেষ বার্তা হচ্ছে, আসলে করোনার কারণে কোনো দেশের সঙ্গেই কোনো দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক নেই। সেইটার এক ব্রেকথো হিসেবে দেখছি। এ করোনার সময় এটা ওনার প্রথম সফর। উনি আমাকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। অন্যান্য সময় আমরা যাতায়াত করতাম। কিন্তু বর্তমানে সেটা হচ্ছে না। ওনারা (ভারত) বাংলাদেশকে এতটাই গুরুত্ব দিচ্ছে যে, উনি এই বার্তা নিয়ে এসেছেন যে, এই পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ওনারা সম্পর্কটা উন্নত করতে চান।

এর আগে সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন জানিয়েছিলেন, করোনা টিকা নিয়ে আলোচনা করতেই ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ সফরে এসেছেন। সকালে সিলেট জেলা প্রশাসন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি উদ্বোধন শেষে এ কথা জানান তিনি। এ সময় তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসীদের ভিসা জটিলতা নিয়েও কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ভারতে করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা, সেটা আমাদের দেশে কীভাবে পাব তা নিয়ে কথা হবে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে তারা নতুন নতুন আইন দিচ্ছে। এখন তারা দিয়েছে শুধু ভিসার মেয়াদ নয়, গেলে ভিসা থাকতে হবে। তারপরে কফিল যে তাকে নিয়োগ করেছে তারও গ্রিন সিগনাল লাগবে।

Sharing is caring!