বেতাগীতে দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ

প্রকাশিত: ৮:৫৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১

 

তরিকুল ইসলাম রতন, স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরগুনার বেতাগী উপজেলায় বিনামূল্যের দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি দখল করে অবৈধভাবে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে দেখা যায়,বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার ৬নং কাজিরাবাদ ইউনিয়নের চাঁন্দখালি বাইপাসে বরগুনা বরিশাল মহাসড়কের পঞ্চিম পাশে তাজ পাওয়ার লিমিটেডের পরিচালনায় চাঁন্দখালী মডেল মাদরাসা নামের একটি বিনামূল্যের দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি দখল করে দোকান নির্মাণ করে ব্যক্তিগত অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন মোঃ শাহবুদ্দিন (মধু) নামের এক ব্যক্তি।

এ ঘটনায় জমিদাতা তাজ পাওয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এইচ এম মাসুম বিল্লাহ্ (পিতা: মৃত আঃ হাই) অবৈধ ভাবে দোকান নির্মাণে একটি লিখিত অভিযোগ করেন চান্দখালী পুলিশ ক্যাম্প ও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বরাবরে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে চান্দখালী পুলিশ ক্যাম্প ও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর নিরব হোসেন চাঁন্দখালী মডেল মাদরাসা নামের একটি বিনামূল্যের দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমি থেকে দখলদারদের অবৈধ দোকান অপসারণের নির্দেশ এবং স্থানীয়ভাবে সালিস মীমাংসার পরামর্শ দেন। কিন্তু ওই নির্দেশনার অনেকদিন পেরিয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁন্দখালী মডেল মাদরাসা নামের বিনামূল্যের দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যে জমিতে একই গ্রামের প্রভাবশালী সাহবুদ্দিন মধু মাদরাসা ভেঙে দোকান নির্মাণ করেন এবং অবৈধভাবে দখল হওয়া মাদরাসার এসব জমি উদ্ধারের জন্য জমিদাতা এইচ এম মাসুম বিল্লাহ্ চান্দখালী পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

 

এ বিষয়ে মাদরাসার পরিচালক এইচ এম মাসুম বিল্লাহ্ বলেন, আমি বিনামূল্যের দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালাই এবং বিনামূল্যে বই কেতাব দেই, তাই আমার দাবি সে যতুটুকু জমি পাবে তা নিবে। তাতে আমার মাদরাসা ভেঙে কেন অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ করলো, আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

এব্যাপারে অভিযুক্ত মো: শাহবুদ্দিন (মধু) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদরাসার জমি অবৈধভাবে দখল করিনি। আমি আমার জমিতে দোকান উঠিয়েছি এবং মাসুম ও আমি উভয়ই আমরা এই জমির অংশীদার।
তিনি আরও বলেন, শুরুতে আমরা একত্রে এই প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছি। এখন আমি তাদের সাথে নেই। তাই আমার জমিতে আমি দোকান দিয়েছি।