বিসিবির সঙ্গে আলোচনায় বসছেন ক্রিকেটাররা

প্রকাশিত: ২:৩০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০১৯

১৩ দফা দাবি তুলে ধরার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন ক্রিকেটাররা।আজ বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানী গুলশানের একটি হোটেলে আইনজীবীর মাধ্যমে ওই ১৩ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এরপরই বিসিবির কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে মিরপুরের উদ্দেশে রওয়ান দেন সাকিব-তামিমরা।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তামিম ইকবাল। তিনি জানান, ক্রিকেটাররা মিরপুরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। সেখানে বোর্ডের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন তারা।

আগে থেকেই ক্রিকেটারদের জন্য শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে অপেক্ষা করছেন বিসিবি কর্মকর্তারা। বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, ধর্মঘট ডাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে তারা বসতে রাজি আছেন।

ক্রিকেটারদের ১৩ দফা

১. ক্রিকেটারস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশেন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) দায়িত্বে যারা আছেন তাদের সরাসরি পদত্যাগ করতে হবে। সংগঠনটির স্বাধীনতার জন্য এমন সিদ্ধান্ত মানতে হবে।

২. প্রফেশনাল ক্রিকেটারস অ্যাসোসিয়েশন থাকবে যার একটা প্রসেস থাকবে যেখানে শুধু খেলোয়াররা থাকতে পারবে। ১৯৬৭ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম এই ধরনের ক্রিকেট সংগঠন গড়ে ওঠে যেটা ক্রিকেটারদের স্বার্থ দেখবে। আমাদের দেশেরও সেরকম প্রতিষ্ঠান দরকার।

৩. ঢাকার যত লিগ আছে তা আগের নিয়মে চলতে হবে। প্লেয়ার্স বাই চয়েস নিয়মে ফেরত যেতে হবে। ক্রিকেটাররা এমনভাবে খেলতে আগ্রহী। বিপিএলও একইভাবে চলতে হবে। আগের মতো চলতে হবে। বিপিএলে দেশি-বিদেশিদের মধ্যে মূল্যের তারতম্য রাখা যাবে না।

৪. প্রথম শ্রেণির ম্যাচ ফি কমপক্ষে এক লাখ টাকা থাকতে হবে।

৫. সারা বছর কোচ, ফিজিও নিয়োগ রাখতে হবে এবং অবকাঠামো উন্নয়ন করতে হবে।

৬. ন্যাশনাল টিমের কন্ট্রাকটেড প্লেয়ারদের সংখ্যা কমপক্ষে ৩০ জন হতে হবে।

৭. লোকাল স্টাফ, কোচ, গ্রাউন্ডসম্যানদের বেতন অন্য টেস্ট খেলুড়ে দেশের মতো সমমানের হতে হবে।

৮. অতিরিক্ত দেশিয়দের জন্য টি-টোয়েন্টি লিগের আয়োজন করতে হবে।

৯. বছরজুড়ে ক্রিকেট সূচি থাকতে হবে এবং সেটা একইরকমভাবে থাকতে হবে। কোনোরকম ভঙ্গ করা যাবে না।

১০. প্লেয়ারদের সব পাওনা সময়মতো পরিশোধ করতে হবে, এবং সিজনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

১১. দুটির বেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলতে দিতে হবে। কোনো রেস্ট্রিকশন রাখা যাবে না। জাতীয় পর্যায়ের খেলা ছাড়া কোনো সময় নিষেধ করা যাবে না।

১২. বিসিবির যে রেভিনিউ থাকবে তার একটা অংশ ক্রিকেটারদের দিতে হবে। ভারতের পর দ্বিতীয় দেশ হিসেবে কমার্শিয়াল হতে হবে।

১৩. বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের ক্ষেত্রেও একইরকম সুবিধা প্রদান করতে হবে ঠিক যেমনটা ছেলেরা সুবিধা পেয়ে থাকে।

Sharing is caring!