বিশেষ সার্ভিসের শুরুতে কমছে যাত্রী চাপ : ২য় দিনও বরিশাল থেকে ছেড়ে গেছে ১২টি লঞ্চ

প্রকাশিত: ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ৯, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নৌ রুটে বিশেষ সার্ভিস শুরুর পর পরই বরিশাল থেকে ঢাকাগামী যাত্রীদের চাপ কমতে শুরু করেছে। তাই কমছে লঞ্চের সংখ্যাও। যাত্রীদের চাপ কমতে থাকায় পূর্বের দিনের তুলনায় শনিবার ৩টি লঞ্চ কম ছিলো নৌ যাত্রায়। ফলে বিশেষ সার্ভিস শুরুর দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ শনিবার বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে ছোট-বড় ১২টি লঞ্চ।

বিআইডব্লিউটিএ’র বরিশাল কার্যালয়ের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক এবং বন্দর কর্মকর্তা (যুগ্ম পরিচালক) আজমল হুদা মিঠু সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ঈদ পরবর্তী ফিরতি যাত্রায় শনিবারও বরিশাল নদী বন্দরে যাত্রীদের চাপ বেশি ছিলো। এ কারণে দ্বিতীয় দিনের ন্যায় বরিশাল থেকে স্পেশাল সার্ভিস হিসেবে ৮টি লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। এর পাশাপাশি নিয়মিত আরও চারটি লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।

এর আগে যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে ঈদ উল আযহার সপ্তাম দিন বরিশাল-ঢাকা নৌ রুটে শুরু হয় বিশেষ সার্ভিস। শুরুর প্রথম দিন অর্থাৎ গত শুক্রবার বরিশাল থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক যাত্রীর নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায় মোট ১৫টি লঞ্চ। যার মধ্যে বিশেষ সার্ভিস ৯টি এবং নিয়মিত সার্ভিসে ছিলো ৬টি।
দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ শনিবার বরিশাল থেকে ছেড়ে যাওয়া ১২টি লঞ্চের মধ্যে নিয়মিত দিবা সার্ভিসে এমভি গ্রীনলাইন-৩, পারাবত-১২, কামাল-১ ও সুন্দরবন-১০ যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এর পাশাপাশি কুয়াকাটা-২, মানামী, এ্যাডভেঞ্চার-১, এ্যাডভেঞ্চার-৯, সুরভী-৮, পূবালী-১, পূবালী-৭ ও স¤্রাট-৭ বিশেষ সার্ভিস হিসেবে ঢাকায় যাত্রা করে।

সরেজমিনে দেখাগেছে, ‘শনিবারও বরিশাল থেকে ঢাকা এবং চাঁদপুরগামী যাত্রীর ভিড় ছিলো চোখের পড়ার মতো। আগের দিনের মতই ছেড়ে যাওয়া ১২টি লঞ্চই অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। লঞ্চগুলোতে ডেকের পাশাপাশি কেবিনের বরান্দা এমনকি ছাদেও যাত্রীদের অবস্থান নিতে দেখা গেছে।

অপরদিকে ঈদের আগে এবং পরবর্তী সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লঞ্চ ঘাটে বার্দিং করা লঞ্চগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রী তোলার বিষয়টি তদারকি করেন। যেসব লঞ্চ ওভার লোড হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে সেগুলো তাৎক্ষণিক ঘাট ত্যাগ করতে বাধ্য করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বাধীন মোবাইল কোর্ট।

এছাড়া বিআইডব্লিউটিএ’র পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা তদারকি করেন নৌ পুলিশ, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ, র‌্যাব, ফায়ার সার্ভিস, আনসার এবং বিআইডব্লিউটিএ’র স্বেচ্ছাসেবকরা।

বিআইডব্লিউটিএ’র বরিশাল কার্যালয়ের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক এবং বন্দর কর্মকর্তা (যুগ্ম পরিচালক) আজমল হুদা মিঠু সরকার বলেন, ‘যাত্রীরা যাতে নির্বিঘেœ গন্তব্যে পৌঁছতে পারে সেজন্যই ঈদ পরবর্তী বিশেষ সার্ভিস চালু করা হয়। তবে শুক্রবারের থেকে শনিবার যাত্রীদের চাপ কিছুটা কম ছিল। তার পরেও যাত্রীদের সুবিধার্থে চাপ না কমা পর্যন্ত বিশেষ সার্ভিষ অব্যাহত থাকবে।

Sharing is caring!