বামনায় ইউপি সদস্যের মুচলেখা ও জেলেদের চাল ফেরত

প্রকাশিত: ৩:১৬ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২২, ২০২০
তরিকুল ইসলাম রতনঃ বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ বরগুনার বামনা উপজেলার ৪ নং ডৌয়াতলা ইউনিয়নে জেলেদের (বিজিডির) এক নামের চাল অন্য জনকে দেওয়ায় ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যের মুচলেখা ।
বরগুনার বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ মইন শিকদার জেলেদের (ভিজিডির) এক নামের চাল অন্যজনকে (চার) মাস ধরে  বিতরন করে আসছেন।
জানা যায় একই ওয়ার্ডের কহিনুর বেগম স্বামী, মোবারক হোসেন এর নামে প্রতি মাসে  ভিজিডির ৩০ কেজি করে  চাল বরাদ্দ ছিলো। সেই চাল ঝর্না বেগম নামের এক মহিলাকে  (চার) মাস  ধরে দিয়ে আসছেন।
ইউপি সদস্য মঈন সিকদারের বিরুদ্ধে  এসব অভিযোগ পর্যবেক্ষনের জন্য বামনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউ এন ও)সাবরিনা সুলতানা ঘটনাস্থলে সহকারী কমিশনার জামিউল হিকমা ও এস,আই মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনকে পাঠান।  তারা সরোজমিনে  তদন্ত করে এসব সত্যতা পান।
পরে ডৌয়াতলা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য  মঈন সিকদার ভুক্তভুগী কহিনুরকে নিজ অর্থে (১২০) কেজি চাল কিনে ও প্রশাসনের কাছে মুচলেকা দেন।
ভুক্তভোগী কহিনুর বেগম বলেন,  প্রতি মাসে আমার মোবাইলে শুধু ম্যাসেজই আয় কিন্তু আমি কোন চাউল পাই না। মেম্বারকে জিঙ্গাসা করলে সে বলে তুমি কোন চাউল পাবা না। তোমার কোন নাম নেই।
আর তোমার মোবাইলে যে ম্যাসেজ আসে তা অন্য ম্যাসেজ।
পরে কহিনুর বেগম  স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমানের কাছে বললে চেয়ারম্যান তার নামের কার্ডটি উদ্ধার করে ফেরত দেন এবং পরে কহিনুর বেগম বামনা  উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানালে তিনি তার প্রোয়জনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করেন।
ইউপি সদস্য মোঃ মইন সিকদার এসব বিষয়ে এরিয়ে যান এবং বলেন,  কহিনুর বেগম অন্যান্য সুবিধা পান  বিধায় তার নামের যে ভিজিডির কার্ডটি সেটি আমি  তাকে না দিয়ে অন্য এক অসহায়কে দিয়েছি কিন্তু আমি ভূল করেছি।
৪ নং ডৌয়াতলা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান মিজান বলেন, আমি এসব ব্যাপারে কিছুই জানতাম না, পরে অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে আমি ব্যাবস্থা নিয়েছি এবং ভুক্তভোগী কহিনুরকে (চার) মাসের ১২০ কেজি চালের ব্যাবস্থা করে দিয়েছি।
এব্যাপারে বামনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউ এন ও)সাবরিনা সুলতানা জানান , ডৌয়াতলার এক ইউপি সদস্য এক জেলের ভিজিডি কার্ডের চাল অন্য জনকে দিয়ে বেশ অন্যায় করেছেন।  তার পরেও সে যেহেতু চাল চুরি করে নায়। অন্য এক অসহায়কে দিয়েছেন  তাই আমার সহকারী কমিশনারের সামনে ইউপি সদস্য মঈন সিকদার ১২০ কেজি চাল  ফেরত দিয়েছেন এবং মুচলেকাও দিয়েছেন বলে তিনি জানান।