বামনার রুহুল আমীন সমাজে পরিচিত হয়ে থাকতে চান সমাজ সেবক হিসেবে

প্রকাশিত: ২:৪৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৭, ২০২০

তরিকুল ইসলাম রতন, বরগুনা প্রতিনিধি ॥ বরগুনার বামনা উপজেলার রামনা ইউনিয়নের রুহুল আমীন একজন সমাজ সেবক হিসেবে পরিচিত হয়ে থাকতে চান। “জীবে দয়া করে যে জন, সে জন সেবিছে ঈশ্বর” বাংলা ভাষার এই প্রবাদটিকে সামনে রেখে জন দরদী সমাজসেবীদের পথ চলা। অতীতে এ দেশ তথা বিশ্বের বুকে যত সমাজসেবী ও জনদরদী ছিলেন তাদের জীবন পর্যালোচনা করলে মূলত এই প্রবাদটির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা বলে গেছেন “সূর্য আমি ঐ দিগন্তে হারাবো, অস্তমিত হবো, তবুও ধরণীর বুকে চিহ্ন রেখে যাব”, তার এই উক্তিকেই অনেকে মূল মন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। তাইতো ধরণীর তরে কেউ সামাজিক, কেউ রাজনৈতিক, কেউ অর্থনৈতিক, কেউ ধার্মিক, কেউ সমাজসেবা, কেউবা ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রেখে যাচ্ছেন তাদের স্ব-স্ব কর্ম পথিকৃত। আমরা আজ এমনি একজন লোকের সাক্ষাত পেয়েছি যিনি নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার সেই বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরকে মাথায় রেখে সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রেখে যাবার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। যাতে করে মৃত্যুর পরও মানুষ তাকে সম্মানের সাথে স্মরণ করে।

জানা যায় বরগুনা বামনা উপজেলার রামনা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মৃত মোঃ ইউনুস আলী শরীফের চতুর্থ ছেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও সমাজ সেবক মোঃ রুহুল আমিন।

এলাকায় যেমনি তিনি দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অধিকারী, তেমনি সরল, সহজ সমাজ সেবক হিসেবে সমাজে সমধিক পরিচিত। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠ প্রচ্ছন্নতায় তিনি সমাজ সেবায় এক উজ্জ্বল তারকা কখনো তিনি এসবের কোনো প্রশ্রয় দেননি।

তিনি হাঁটি হাঁটি পা করে দ্রুত নিজেকে সমাজ সেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি এলাকার ছোটো বড় বৃদ্ধ বনীতার প্রিয় মানুষ, গরীব দুঃখী সহ সমাজের সাধারণ মানুষের সঙ্গী। অসহায় দরিদ্র মানুষের সহায়ক, তিনি হলেন বামনার কৃতিসন্তান রুহুল আমিন।

তিনি এমনি একজন মানুষ, যাকে সকল শ্রেণী পেশার মানুষ ভালোবাসেন। তিনিও তাদেরকে মনে প্রাণে ভালো বাসেন। এলাকার সচেতন মহলের মুখ থেকে রুহুল আমিনের বেশ সুনাম শোনা যায়।

তিনি সব সময় তার এলাকাসহ আশপাশের উপজেলার মানুষের সুখে দুঃখে এগিয়ে যান। মানুষের সুখে দুঃখে তাদের সেবা করতে পারলে তিনি নিজেকে ভীষণ গর্বিত মনে করেন।

বিশিষ্ট শিল্পপতি রুহুল আমীন বলেন, “আমি সারা জীবন সাধারণ মানুষের সেবা করার জন্য সমাজ সেবা করে যাবো। আমার সমাজ সেবার প্রধান উৎসই হল আমার এলাকাবাসী তথা বামনা উপজেলাবাসী। আমি যেন আমার বামনা উপজেলাবাসীর সুখ দুঃখের অংশীদার হয়ে তাদের সমস্যা সমাধান করতে পারি”। তিনি এলাকার রাস্তাঘাট, মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের উন্নয়নের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। তিনি নিজেও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক, ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।

তিনি বর্তমানে এলাকাবাসীর আরও অধিকতর সেবা দানের উদ্দেশ্যে বামনায় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বামনা উপজেলার সকল পেশার, সকল শ্রেণীর মানুষের পাশে থাকতে চান।

রুহুল আমিনের এমন মানবিক আচরণ প্রশংসার দাবীদার- এমনটি মনে করছেন সচেতনমহল।