বাবুগঞ্জে ইলিশ রক্ষা অভিযান নিয়ে প্রশ্ন !

প্রকাশিত: ৭:৪২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৬, ২০২০

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ::

সরকারের মৎস্য বিভাগ বাবুগঞ্জ উপজেলায় গণসচেতনতায় মাইকিংসহ নানামুখী প্রচার চালায়। তবে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ছোট-বড় নৌকা নিয়ে অবাধে চলছে মাছ শিকার।

সন্ধ্যা, সুগন্ধা ও আঁড়িয়াল খাঁ নদীতে দেখা গেছে এমন চিত্র। বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন। ইতি মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে “মা” ইলিশ রক্ষার ২২ দিনের ১২ দিন অতিবাহিত হয়েছে।

অসাধু জেলেরা রাতের অন্ধকারে মাছ ধরতে যে সব নৌকা নদীতে নিয়ে যান সেসব নৌকায় কোনো আলোকবাতি ব্যবহার করছেন না। ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞার মাঝে এভাবেই নতুন নতুন কৌশলে ইলিশ নিধন চলছে।

এই উপজেলায় মৎস্য অভিযানকে ঘিরে যেমন রয়েছে ব্যর্থতার গুঞ্জন তেমনি সফলতার ফিরিস্তিটাও কম নয়।

উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ১৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ৩৯ টি অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ৭ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৭ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও ৩৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। ২৮৫ কেজি জব্দকৃত ইলিশ ১৫ টি এতিম খানায় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভাঙা হয়েছে ৫৫ টির বেশি ডিঙ্গি নৌকা। তুবও অসাধু ব্যক্তিদের ছত্র ছায়ায় জেলেরা ইলিশ শিকারে নদীতে নেমে পড়েছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সাইদুজ্জামান বলেন, নদী গুলোতে প্রতিদিন দিবা-রাত্রি ৪ টি টিম অভিযান পরিচালনা করছে। জেলা থেকেও মাঝে মাঝে অভিযানে আসছে টিম। লোকবল সংকটের কারণে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কিছু স্থানে জেলেরা মাছ ধরার খবর আসলেও আমরা যথাসাধ্য প্রতিহত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। দেশের স্বার্থে সরকারের “মা” ইলিশ রক্ষা অভিযান যে কোন মূল্যে সফল করতে হবে। আমরা সেই চেষ্টাই করছি।

Sharing is caring!