বাবুগঞ্জের হাট-বাজারে শীতের সবজি, দাম চড়া

প্রকাশিত: ৭:৫৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৩, ২০২০

আরিফ হোসেন, বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ॥

বাবুগঞ্জের হাট- বাজারে শীতের আগাম সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। কিন্তু দামে লাগাম আসছে না। ছোট ছোট ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম প্রতিটি ৩০ থেকে ৫০ টাকা চাইছেন বিক্রেতারা। শিমের কেজি ১২০ থেকে ১৩০ টাকা।

সবজির মতো চাল ও ভোজ্যতেলের দাম কমার লক্ষণ নেই। মসুর ডালের দাম গত সপ্তাহে কিছুটা বেড়েছিল। নতুন করে আর হেরফের হয়নি। আলুও আগের মতো বেশি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। স্বস্তির বিষয়, আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কমেছে।

ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতিটি ৩০-৫০ টাকা, শিমের কেজি ১২০-১৩০ টাকা।
উপজেলার রহমতপুর বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. রেজাউল এর দোকানে গতকাল শিম, শালগম ও মাঝারি আকারের প্রতিটি ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৫০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। তাঁর দোকানে বেগুন, গাজর, মুলা ও বরবটির কেজি চাওয়া হয় মানভেদে ৭০ থেকে ১০০ টাকা। কাকরোল, চিচিঙ্গা, শসা, ঝিঙে, ঢেঁড়স ও পটোলের দামও কম নয়, কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা চান তিনি। প্রতি আড়াই শ গ্রাম কাঁচা মরিচের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

রেজাউল বলেন, শীত যত বাড়বে, শীতের সবজির সরবরাহ তত বাড়তে থাকবে। তখন দাম কমবে।

বাজারে পুরোনো আলুর কেজি আকারভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। যদিও সরকার নির্ধারিত দর ৩৫ টাকা। এ দামে কোথাও আলু বিক্রি করতে দেখা যায়নি। বাজারে এখন চার ধরনের পেঁয়াজ দেখা যায়। সবচেয়ে দাম কম চীনা ও তুরস্কের পেঁয়াজের, মানভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। পাকিস্তানি পেঁয়াজ ৬০ টাকার আশপাশে ও দেশি পেঁয়াজ মানভেদে কেজি ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হয়। চীনা রসুন কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা ও দেশি রসুন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি করেন বিক্রেতারা।
সবজির মতো চাল ও ভোজ্যতেলের দাম কমার লক্ষণ নেই। আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কমেছে।

বাজারে ছোট দানার মসুর ডাল ১০০ থেকে ১১০ টাকা ও মোটা দানার মসুর ডাল ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। রহমতপুর স্টেসন বাজারের মেসার্স সুলতান আহমেদ এন্টারপ্রাইজের বিক্রেতা সুলতান আহমেদ বলেন, ডালের দাম আর বাড়েনি। শীত যত বাড়বে, শীতের সবজির সরবরাহ তত বাড়তে থাকবে। তখন দাম কমবে।
এদিকে খাল, বিল ও নদীনালায় পানি কমতে শুরু করায় দেশি বিভিন্ন মাছ ধরা পড়ছে, যা বাজারে আসছে।