বানারীপাড়া পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে আ’লীগ নেতা জিয়াউল হক মিন্টুর প্রার্থিতা ঘোষণা

প্রকাশিত: ১১:৩৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০

রাহাদ সুমন, বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি ::

চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার গুঞ্জনে বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউল হক মিন্টু নিজেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার রাতে পৌর শহরের বন্দর বাজারের নিজস্ব কার্যালয়ে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়র পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন।

এ ব্যাপারে তিনি জানান, তিনি ইউনিয়ন পরিষেদের চেয়ারম্যান পদ থেকে শিগগিরই পদত্যাগ করবেন এবং বানারীপাড়া পৌরসভায়ই গড়ে তুলবেন স্থায়ী ঘরবসতি। তিনি আশাবাদী তার তিন দশকের সাংগঠনিক দক্ষতা, প্রজ্ঞা,ত্যাগ ও জনপ্রিয়তা বিবেচনা করে পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ড তাকে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও লাল সবুজের পতাকা অর্জনের মূর্তপ্রতীক নৌকার কাণ্ডারীর দায়িত্ব অর্পণ করবে।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘ ৩০ বছরের আওয়ামী লীগের রাজনীতির পদচারণায় তাকে হামলার শিকার ও মিথ্যা মামলায় বার বার জেলের ঘানিও টানতে হয়েছে। সহ্য করেছেন বহু জেল জুলুম ও হুলিয়া। তার পরেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এই দলটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাহিরে থাকার সময়ও কখনও মাঠ ছেড়ে ঘরে বসে থাকেননি তিনি।

আওয়ামী লীগের বিপদের দিন গুলোতে জামায়াত-বিএনপির বিভীষিকাময় শোষন-নিপীড়ন পরিস্থিতির সময় দলকে সংগঠিত করতে উপজেলা ও পৌর শহরের অলি-গলি, মেঠোপথে তার পদচারণা ছিলো। অকৃপণভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন নির্যাতিত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের পাশে। এসব কিছু বিবেচনা করে দলের নীতি নির্ধারকরা তাকে পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী করবেন এটাই তার ঐকান্তিক বিশ্বাস।

তিনি বলেন, পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেলেও দল যাকেই নৌকার টিকিট দেয়া হবে তার হয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন তিনি। পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী না হতে পারলেও আর কখনও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, টানা ২ বার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়ন পরিষদের তিনি চেয়ারম্যান হয়েছেন জনসাধারণের বিপুল রায়ে। তাই ওখান থেকে তিনি আর নির্বাচন করতে আগ্রহী নন। কেননা ওখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আরও ব্যক্তিত্ব’রা রয়েছেন, তারা দলের হয়ে নির্বাচন করবেন। একটি পদ বছরের পর বছর আগলে রাখার পক্ষে তিনি ভিন্নমত প্রকাশ করেন।

সেখানে নতুনদের জায়গা করে দিতে হবে বলেই তিনি আলোকিত পৌরসভা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে নির্বাচনে সাধারণ মানুষের, তথা তৃণমূল থেকে ঢেলে সাজাতে উপ-মহাদেশের সর্ববৃহৎ প্রাচীনতম রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী হতে চান। তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনকালীন সময় সহ সর্বদা পৌরবাসী তার সাথেই থাকবেন।

Sharing is caring!