বানারীপাড়ায় গণধর্ষণের শিকার মাহেন্দ্র যাত্রী তরুণী

প্রকাশিত: ৩:২৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০২০

রাহাদ সুমন, বানারীপাড়া প্রতিনিধি ॥ বরিশালের বানারীপাড়ার চাখারে এক সংখ্যালঘু তরুণী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় ৫ জনকে আসামী করে বৃহস্পতিবার সকালে বানারীপাড়া থানায় ধর্ষিতা তরুণী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

আসামীরা হলেন জুয়েল (৩২), শাহাদাত হোসেন (৪৫), হেমায়েত (৩৫),আমির হোসেন (৩৫) ও আসমা বেগম (৩৫)। এদের মধ্যে জুয়েল ও শাহাদাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার পদ্মডুবি গ্রামের স্বপন দাসের মেয়ে (২০) বুধবার বিকাল ৫টার দিকে বরিশাল শহরে চাচার বাসায় বেড়ানো শেষে বানারীপাড়া হয়ে নিজ বাড়ি ফেরার উদ্দেশে নথুল্লাবাদ থেকে মাহেন্দ্র-আলফায় যাত্রী হন। সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ওই মাহেন্দ্র-আলফা বানারীপাড়ায় আসার পরে চালক শাহাদাত হোসেন ও অপর যাত্রী আমির হোসেন তাকে বলেন সন্ধ্যা হয়ে গেছে নাজিরপুরের পদ্মডুবি গ্রামে যেতে তার অনেক রাত হয়ে যাবে। পথে বিপদ হতে পারে সকালে যাবেন এসব কথা বলে তাকে চাখারে মাহেন্দ্র-আলফা চালক শাহাদাত হোসেনের বাসায় রাত্রী যাপনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে সেখানে শাহাদাত হোসেন, আমির হোসেন ও শাহাদাতের ভাড়াটিয়া ঘরের মালিক বিউটিশিয়ান আসমা বেগমের সহায়তায় ওই তরুণীকে একই এলাকার জুয়েল ও হেমায়েত ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে গভীর রাতে ওই তরুণী কৌশলে বাসা থেকে বের হয়ে চাখার পুলিশ ক্যাম্পে গিয়ে বিস্তারিত ঘটনা খুলে বলেন। খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ রাত দেড়টার দিকে তাকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে মাহেন্দ্র-আলফা চালক শাহাদাত হোসেন ও জুয়েলকে গ্রেফতার করে।

এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত দুই জন সহ ৫জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতারকৃত দুই আসামীকে বরিশাল জেলহাজতে ও ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে শেবাচিম হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জাফর আহম্মেদ বলেন, বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Sharing is caring!