বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমলেও বেড়েছে শাক-সবজির দাম

প্রকাশিত: ১১:৫৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৭, ২০২০

মোঃ জিয়াউদ্দিন বাবু ॥

বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমলেও বন্যার কারণে আবার সব শাক-সবজির দাম বেড়ে গেছে। ডিম প্রতি হালি ৩৮ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৬ টাকা করে। দেশী মুরগীর ও হাঁসের ডিম গত সপ্তাহে ছিলো ৪৫ টাকা। এ সপ্তাহে ৪৮ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম একই রয়েছে ১ শত ২০ টাকা প্রতি কেজি।

ব্রয়লার মুরগী গত সপ্তাহে ১ শত ২০ টাকা করে বিক্রি করা হলেও গতকাল বিক্রি করা হয়েছে ১ শত ৩০ টাকা করে। সোনালী বিক্রি হচ্ছে ২ শত ৪০ টাকা করে। যা গত সপ্তাহে একই দাম ছিল। লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ১ শত ২০ টাকা করে। পেঁপে গত সপ্তাহে বিক্রি হয় ৪০ টাকা করে। এ সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকা করে। ঢেরস গত সপ্তাহে ছিল ৪০ টাকা এ সপ্তাহে একই দামে বিক্রি হচ্ছে।

পোটল বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা করে। পুঁই শাক বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা করে প্রতি আটি। লাল শাক বিক্রি হচ্ছে প্রতি আটি ১৫ থেকে ২০ টাকা করে। কাঁচা কলার দাম ২৫ থেকে ৩০ টাকা করে প্রতি হালি। মাছের দাম একই রয়েছে। ইলিশ ছোট বিক্রি হচ্ছে ৬ শত টাকা করে। বড় ইলিশ ১কেজি ওজনের বিক্রি হচ্ছে ১২ শত টাকা করে। পাঙ্গাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ১ শত ৩০ টাকা করে। তেলাপিয়া ১ শত ২০ টাকা থেকে ১ শত ৩০ টাকা করে। কাতল, রুই, চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ছোট ৪ শত বড় বিক্রি হচ্ছে ৬ শত টাকা করে। যা গত সপ্তাহে একই দামে বিক্রি হয়েছে।

কই মাছ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ শত ৩০ টাকা করে। পোমা মাছ বিক্রি হচ্ছে ২ শত ৫০ টাকা করে। শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৫ শত টাকা করে প্রতিকেজি। যা গত সপ্তাহে একই দামে বিক্রি হয়েছে। গরুর মাংসের দাম একই রয়েছে প্রতিকেজি ৫ শত ৮০ থেকে ৬ শত টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। গরুর কলিজা বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৫ শত থেকে ৫ শত ৮০ টাকা করে। বাজারে কোন কোন জিনিসের দাম কমলেও বন্যার কারণে কিছু কিছু জিনিসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

Sharing is caring!