বাজারে এসেছে শীতের সবজি :: দামে চড়া


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ১০:৩৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৬, ২০২০

মো. জিয়াউদ্দিন বাবু ::

শীত আসার সাথে সাথে বাজারে আসতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি। সকাল হলেই নগরীর হাট বাজার গুলোতে বাহারি সবজির পসরা সাজিয়ে বসছেন বিক্রেতারা।

তবে শীতকালীন বাহারি সবজিতে বাজার সরগরম হলেও দাম কমছে না। চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সবজি। সাথে পেঁয়াজ ও আলু’র চড়া দামে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস।

যদিও শীত মৌসুমের শুরুতে কিছু সবজি, বিশেষ করে শসা কাঁচা মরিচ ও ফুল কপির দাম কিছুটা কমেছে। আর মাছ-মাংস এবং ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।
শুক্রবার বরিশাল নগরীর বাংলাবাজার, পোর্ট রোড, নতুন বাজার, পুরান বাজার, চৌমাথা, সাগরদী, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর ও পলাশপুর বউ বাজার ঘুরে এমন তথ্যই জানিয়েছেন ক্রেতা এবং বিক্রেতারা।

সরেজমিনে দেখাগেছে, ‘শুক্রবার প্রতি কেজি বাঁধা কপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, প্রতি হালি করা ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, প্রতি কেজি চিচিঙ্গা বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়। পটল ও ঢেঁড়স বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ হাজা, করলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, প্রতি পিস লাউ ৬০ থেকে ৮০ টাকা, জালি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

এছাড়া বেগুন প্রতি কেজি ৬০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, কচুর লতি ৫০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, টমেটো ১২০ থেকে ১৩০ টাকা এবং ধনিয়া প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

অপরদিকে শুক্রবার বাজারগুলোতে প্রতি কেজি শাসা বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৬০ টার মধ্যে। এছাড়া কাঁচা মরিচ ১৩০ থেকে ১৭০ টাকা, ফুল কপি প্রতি পিস সাইজ অনুুপাতে ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। যা গত সপ্তাহে প্রতি কেজি শসা ৫০-৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ থেকে ২০০ টাকা এবং প্রতি পিস ফুলকপি ৩৫ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

তবে আগের মত চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে শাক। প্রতি আঁটি লাল শাক ১৫ টাকা, পালং শাক ২০ থেকে ৩০ টাকা, ডাটা শাক ২০ থেকে ২৫ টাকা, মূলা ১২ থেকে ১৫ টাকা, লাউ ও কুমড়া শাক ৩৫ থেকে ৪০ টাকা।

তাছাড়া স্বস্থি মিলছে না আলু ও পেঁয়াজের বাজারেও। শুক্রবারও ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা এবং নতুন আলু প্রতি কেজি দেড়শত টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অথচ ইতিপূর্বে দুই দফায় আলুুর দার নির্ধারণ করে দেয় সরকার। প্রথম দফায় প্রতি কেজি আলু সর্বোচ্চ ৩০ টাকা এবং পরবর্তীতে ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সরকারের সেই নির্দেশনা ভোক্তা পর্র্যায়ে প্রতিফলন ঘটছে না।

আবার পেঁয়াজও বর্ধিত মূল্যেই বিক্রি হচ্ছে। আগের মতই প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে শহরের বাইরে কোন কোন ক্ষেত্রে ১০০ টাকাও রাখা হচ্ছে দেশী পেঁয়াজের দাম।

এদিকে ক্রেতারা বলছেন, বাজারে বছরের সব সময়ই সবজির সরবরাহ থাকে। তবে সে তুলনায় দাম কমে না। এর মধ্যে শীতের সবজি বাজারে এলেও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে শীতের সবজি এলেও তা পর্যাপ্ত না। সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে।