বাউফলে সড়কের নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত: ১১:০৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৮, ২০২০

বার্তা ডেস্ক ॥ পটুয়াখালীর বাউফলে এলজিইডির দুর্যোগ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় ২টি প্রকল্পের নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৮-২০১৯ ইং অর্থ বছরে বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ও কেশবপুর ইউনিয়নে দুর্যোগ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় পৃথক ২টি প্যাকেজে সড়ক নির্মাণের জন্য দরপত্র আহবান করে এলজিইডি।

টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে ৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকার চুক্তিতে আজাদ অ্যান্ড মহিউদ্দিন জেবি নামের একটি যৌথ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওই ২টি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ পায়। সিডিউল অনুযায়ী প্রথম প্যাকেজে কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর থেকে কালিশুরী পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার এবং ধুলিয়া ব্রিজ থেকে পাড়ের বাজার পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিলোমিটার কার্পেটিং সড়কের নির্মাণ কাজ করা হবে। গত বছরের অক্টোবর মাসের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও ধীর গতিতে কাজ চলায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিন পরিদর্শনকালে ধুলিয়া গ্রামের আবুল হোসেন, মানিক ও আসলামসহ একাধিক এলাকাবাসী বলেন, পুরনো সড়কের ডাস্ট ও ভাঙা সøাব দিয়ে নতুনভাবে ম্যাকাডম করা হচ্ছে। টপ লেভেল ঠিক না রেখে বেড কেটে মাটির গভীরে সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে জলাবদ্ধতা তৈরি হবে। ধুলিয়া থেকে পাড়ের বাজার পর্যন্ত কয়েকটি কালভার্ট নির্মাণ করার ক্ষেত্রেও অনিয়ম করা হয়েছে। ১৬ ফুট দৈর্ঘ্যরে কালভার্ট নির্মাণ করার কথা থাকলেও ১২ ফুট দৈর্ঘ্য কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়াও নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করায় সড়কটির স্থায়ীত্ব নিয়ে আশংকা তৈরি হয়েছে।

একইভাবে নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে নির্মাণকাজ করার অভিযোগ রয়েছে মমিনপুর থেকে কালিশুরী পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার সড়কের। এলাকাবাসী বলেন, সড়কের নির্মাণকাজে অনিয়ম করায় কয়েকদিন যেতে না যেতেই বেহাল অবস্থা হয়। জনসাধারণের সুবিধার জন্য সরকার সড়ক নির্মাণ করলেও তা উপকারে আসছে না।

অবশ্য অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি কবির সিকদার বলেন, নিয়মিত বিল না দেয়ায় নির্মাণকাজে আরও বিলম্ব হবে। প্রকল্প তদারকির দায়িত্বে থাকা বাউফল এলজিইডির উপ সহকারি প্রকৌশলী আব্বাস বলেন, সিডিউল অনুযায়ী প্রকল্পের নির্মাণ কাজ চলছে।

Sharing is caring!