বাউফলে চড়া দামে আমন ধানের বীজ বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশিত: ১:৫৪ অপরাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০

বার্তা ডেস্ক ॥ পটুয়াখালীর বাউফলে চড়া দামে আমন ধানের বীজ বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন ডিলারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছর বাউফল উপজেলায় ১৪০০ মেট্রিকটন আমন ধানের বীজ প্রয়োজন। এরমধ্যে স্থানীয় জাতের ৯০০ মেট্রিক টন এবং উচ্চ ফলনশীল (উফশী) জাতের ৫০০ মেট্রিক টন আমন ধানের বীজের চাহিদা রয়েছে। কৃষকরা প্রায় ১৩০০ মেট্রিক টন বীজ সংরক্ষণ করেছেন। বাকী ১০০ মেট্রিক টন উফশী জাতের বীজ বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন’র (বিএডিসি) সরবরাহ করার কথা রয়েছে। এ পর্যন্ত মাত্র ৩০ মেট্রিকটন বীজ বিএডিসি সরবরাহ করেছে। বাকী ৭০ মেট্রিকটন বীজ সরবরাহ না করায় সংকট তৈরি হয়েছে। বীজ না পেয়ে অনেক কৃষক বীজতলা তৈরি করতে পারছেন না।

কালিশুরী, কেশবপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়নের একাধিক কৃষক বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে বীজ না পেলে বীজতলা তৈরি করা যাবে না। আর বীজতলা তৈরি না করতে পারলে এবছর জমি অনাবাদী থেকে যাবে।

এদিকে বাউফল উপজেলায় বীজ বিক্রির জন্য বিএডিসি অনুমোদিত মোট ৩ জন ডিলার রয়েছেন। এরা হলেন কালাইয়া বন্দরের শ্যামল মালি, হারুন অর রশিদ ও কালিশুরী বাজারের কবির দুয়ারি। সরবরাহের কারণে সংকট তৈরি হওয়ায় এই ডিলাররা চড়া দামে বীজ বিক্রি করছেন বলে কৃষকরা অভিযোগ করেছেন। প্রতিকেজি বীজের সরকারি মূল্য ৩০ টাকা। অথচ প্রত্যেক ডিলার ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দামে বীজ বিক্রি করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান চড়া দামে বীজ বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কালিশুরীর ডিলার কবির দুয়ারির লাইসেন্স বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাকী ২ ডিলারের ব্যাপারে তদন্ত চলছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Sharing is caring!