বাংলাদেশ-আফগানিস্তান যৌথ চ্যাম্পিয়ন

প্রকাশিত: ৫:১৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯

খেলা হবে কি হবে না, এই দ্বন্দ্বের অবসান ঘটল। অধরা রয়ে গেল আরও একটি স্বপ্ন। ঘরের মাঠে ত্রি-দেশীয় সিরিজের শিরোপাটি শুধুমাত্র নিজেদের করে নিতে পারল না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। হোম অব ক্রিকেট মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ‘যৌথ চ্যাম্পিয়ন’ ঘোষণা করা হয়েছে বাংলাদেশ-আফগানিস্তানকে।আজ মঙ্গলবার রাত ৯টায় মাঠের অবস্থা যাচাই-বাছাইয়ের পর খেলা পরিত্যাক্ত ঘোষণা করেন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আম্পায়ার। ঘোষণার পর টাইগারদের ঠোঁটের কোনে মৃদু হাঁসির রেখাটিও সম্পূর্ণ উবে গেছে।

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের। কিন্তু দুপুর থেকেই ক্ষণে ক্ষণে হওয়া বৃষ্টি আভাস দিচ্ছিল অঘটনের। সন্ধ্যা না হতেই ঝুম বর্ষণ; টাইগারদের মনে শিরোপা হারানোর শঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।ভারী বৃষ্টি থামলেও ইলশে গুঁড়ি যেন থামার নামই নিচ্ছিল না। পরে ম্যাচ পরিচালকরা জানান খেলার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত। কিন্তু তার আগেই আরও একটি আন্তর্জাতিক শিরোপা শুধু নিজেদের করে নেওয়া থেকে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

তিন ম্যাচে জয় নিয়ে এগিয়েই ছিলেন সাকিবরা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচ আর ফাইনালের আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি ম্যাচ জয় করে টিম টাইগার। আবার আফগানদের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে হেরে যান মুশফিকরা।আফগানিস্তান জয় পায় চার ম্যাচের দুটিতে। বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুটি ম্যাচে জয় ও দুটিতে হেরে ফাইনালের টিকিট কাটেন রশিদ অ্যান্ড কোং।ঘরে ফেরার আগে হ্যামিল্টন মাসাকাদজার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে একটি মাত্র জয় পায় জিম্বাবুয়ে। আর এই সিরিজেই নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক।

এই সিরিজে নিজেদের অনবদ্য পারফরম্যান্সে নাম কামিয়েছেন তরুণ টাইগার খেলোয়াড় আফিফ ও বিপ্লব। অভিষেক ম্যাচে তিন উইকেট নিয়ে উজ্জ্বল ছিলেন বিপ্লব। আর প্রথম ম্যাচে খাদের কিনারে যেতে থাকা টাইগারদের দুর্দান্ত অর্ধশতকে বাঁচিয়েছিলেন আফিফ। আফগানদের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে এক ওভারে নিয়েছিলেন দুটি উইকেট।এদিন খেলা শুরুর সময় পেরিয়ে যেতে থাকলেও দর্শকদের দেখা গেছে গ্যালারিতে বৃষ্টি উপেক্ষা করে বসে থাকতে। ফাইনাল ম্যাচ মাঠে বসে উপভোগ করার জন্য কতশত ঝামেলা উপেক্ষা করে টিকিট সংগ্রহ করেছিলেন তারা। ডাগআউটে নিজেদের মধ্যে আলাপে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে সাব্বির-তাইজুলদের।

Sharing is caring!