বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন অনেক বেড়েছে.. শ.ম রেজাউল করীম

প্রকাশিত: ১০:৪৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩০, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ.ম রেজাউল করীম বলেছেন, ‘বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন অনেক বেড়েছে। এ কারণে গত বছর এবং এ বছর ভারত ও মায়ানমার থেকে কোন প্রাণী আমদানী করার অনুমতি দেইনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বরিশাল সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী’র অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেছেন।

অপর প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী শ.ম রেজাউল করীম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য রাখছি যাতে আমাদের এখানকার উৎপাদকরা তাদের উৎপাদিত প্রাণী বিক্রি করতে পারেন। করোনার ভয়াবহ প্রভাবে যখন সমগ্র বিশ্বে সমস্যা তখন বাংলাদেশে কোরবানির সংখ্যা কমে যাবে এটা খুবই স্বাভাবিক। এ পরিস্থিতি কিন্তু সরকারের সৃষ্ট না, এটা প্রাকৃতিক একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি।

তিনি বলেন, ‘তারপরই ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়টি আমরা বিবেচনায় রেখেছি। আমরা কোরবানি পরবর্তী সময়ে কে কতটা বিক্রি করতে পারলেন, তারা আর্থিকভাবে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হলেন এ বিষয়টাকে বিবেচনায় নিয়ে কিভাবে তাদের সহযোগিতা করা যায় সে বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় ভাবে ভাবছি।

এদিকে ইলিশ প্রসঙ্গে মন্ত্রী শ.ম রেজাউল করীম বলেছেন, ‘এখন ইলিশের ভরা মৌসুম না। ইলিশের ভরা মৌসুম আগস্টের শেষের দিকে শুরু হবে। এখন পর্যন্ত ভরা মৌসুম না হওয়ায় ভোলা, বরিশাল, চাঁদপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন দামে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে। ভরা মৌসুম আসলে ইলিশের দাম কমে যাবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশ থেকে কোন ইলিশ মাছ বিদেশে রপ্তানি করা হবে না। এ মাছ শরীরে আমিষ ও পুষ্টির চাহিদা মেটায়। ইলিশ মাছ আমাদের দেশের মানুষ যাতে প্রাণভরে খেতে পারে আমরা সে উদ্যোগ নিয়েছি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি মাছ চাষের মধ্য থেকে দেশে উদ্যোক্তা সৃষ্টি হোক। মাছ চাষের মধ্য দিয়ে তারা নিজেদের অভাব দূর করবে এবং দেশের চাহিদা মেটাবে। মৎস্য ক্ষেত্রে যারা কাজ করবে তাদের আমরা সহজ শর্তে লোন দেব। প্রয়োজনে মাছের খাবারেও আমরা ভর্তুকি দিব। অন্যান্য যে কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন হবে তাও দেব।

তিনি বলেন, সব মিলিয়ে মৎস্য খাতকে উজ্জিবিত করার জন্য খামারি, বিপণনকারী, রপ্তানিকারকদের জন্য আমরা অভাবনীয় সুযোগ রেখেছি। যারা আগ্রহী তারা এগিয়ে আসলে আমাদের মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অফিস তাদের সর্বোচ্চ সহায়তা করবে।

Sharing is caring!