বরিশালে পুলিশের পোশাক পরে ককটেল ফাটিয়ে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি

প্রকাশিত: ৮:৪৪ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩, ২০১৯

বরিশালের মুলাদী উপজেলা বন্দরে পুলিশের পোশাক পরে বোমা ফাটিয়ে তিনটি স্বর্ণের দোকানসহ চার দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। ওই সময় ডাকাতরা বন্দরের পাহারাদারসহ আট থেকে ১০ জনকে মারধর ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রেখে ৩৮ ভরি স্বর্ণ, একটি দোকান থেকে চার কেজি রূপা এবং অপর দুই দোকান থেকে ৫০০ ভরি রূপা লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়া ডাকাতরা রহমত স্টোরের কসমেটিকসসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে বরিশালের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, জেলা বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাইমুল ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব তারিকুল হাসান খান মিঠু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মুলাদী বন্দরের জননী জুয়েলার্সের ম্যানেজার সাগর জানান, সোমবার রাত ২টার দিকে মুখোশ পরিহিত ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল বন্দরে প্রবেশ করে । এরপর জননী জুয়েলার্সের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এর মধ্যে কয়েকজন পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়নের পোশাক পরিহিত ছিল। এ সময় ডাকাতরা আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বর্ণালংকার লুট করে এবং তাকেসহ কর্মচারীদের পার্শ্ববর্তী রহমত স্টোরে নিয়ে আটকে রাখে। ডাকাতরা পাহারাদার ও বন্দরের বিভিন্ন বাসা থেকে বের হওয়া লোকজনদের আটক করে রহমত স্টোরে নিয়ে আসে। পরে তারা রিতা জুয়েলার্স, বনশ্রী জুয়েলার্সে ডাকাতি করে।

স্বর্ণের দোকানের মালিকরা জানান, ডাকাতরা রিতা জুয়েলার্সের ৩০ ভরি স্বর্ণ, ৪ কেজি রূপা, জননী জুয়েলাসের সাড়ে ৩ ভরি স্বর্ণ ও ২০০ ভরি রূপা, বনশ্রী জুয়েলার্সের ৫ ভরি স্বর্ণ ও ৩০০ ভরি রূপা, রহমত স্টোরের মূল্যবান কসমেটিকসসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে। বাধা দিতে গেলে ডাকাতরা বন্দরের পাহারাদারসহ ৮- ১০ জনকে মারধর করে।

Sharing is caring!