বরিশালে পণ্যের দাম কম থাকলেও ভিন্ন চিত্র চৌমাথা বাজারে

প্রকাশিত: ১০:২১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৯, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরিশালে প্রচুর সবজি। দামও কম। তবে নগরীর চৌমাথা বাজার ঘুরে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। এখানে শীম বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, টমেটো ৩৫ টাকায়, ফুল ও বাধা কপি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা করে। এত বাড়তি দামে কেন বিক্রি হচ্ছে ব্যবসায়ীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমরা বেশী দামে কিনেছি, তাই বেশি দামে বিক্রি করছি। নাম জিজ্ঞাসা করলে বলেন, নাম দিয়ে কাম কি? অথচ নগরীর পোর্ট রোড, বড় বাজার, লঞ্চঘাট বাজার, বটতলা বাজার ঘুরে দেখা গেছে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়, ফুল কপি ১২ থেকে ১৫ টাকায়, বাধা কপি ১০ টাকায়, পেঁপে ২০ থেকে ২৫ টাকায়, শালগম ১০ থেকে ১৫ টাকায়, মিষ্টি কুমড়া ২০ থেকে ২৫ টাকায়, কাঁচা মরিচ ৫০ টাকা কেজি, এক ভাগ শীম বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায়।

 

কম দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে বাজারগুলোতে। শুধু চৌমাথা বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সব কিছু। সিদ্দিক নামে একজন ক্রেতা জানান, আমরা সময়ের অভাবে অন্য বাজারগুলোতে যেতে পারছি না তাই ব্যবসায়ীরা শুধু সবজি নয় মাছ, মাংস সহ সবকিছু জিনিসের দাম বাড়তি রাখছেন।

 

এ ব্যাপারে অভিযান চালানো উচিত বলে অনেক ক্রেতা জানিয়েছেন। নগরীর বাজার গুলো ঘুরে দেখা গেছে, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫ শত ৫০ টাকা থেকে ৫ শত ৬০ টাকা করে। খাসির মাংস হচ্ছে ৭ শত টাকা করে। ব্রয়লার মুরগী ১১৫ থেকে ১২০ টাকা, লেয়ার ১৫০ টাকা, সোনালী ১৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। রুই-কাতল বিক্রি হচ্ছে ২ শত থেকে ৩ শ টাকা করে। বড় শোল মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪ শত থেকে ৫ শত টাকা প্রতিকেজি। পাবদা বিক্রি হচ্ছে ৩ শত টাকায়, তেলাপিয়া ৮০ থেকে ১ শত ২০ টাকা, পোমা মাছ বিক্রি হচ্ছে ১ শত ৫০ টাকা করে, সুরমা মাছ বিক্রি হচ্ছে ২ শত টাকা করে। ডিম বিক্রি হচ্ছে লাল প্রতি হালি ৩০ টাকা, দেশী হাঁস ও মুরগীর ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা করে।