বরিশালে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত: ভোলায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ৬:৪৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ৬, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং পূর্ণিমার জো’র প্রভাবে বরিশালের নদ-নদীতে পানির চাপ বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিভাগের বেশ কয়েকটি জেলা-উপজেলার নদ-নদীতে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে পানির প্রবাহ। পাশাপাশি অব্যাহত রয়েছে বৃষ্টিপাতও। এই অবস্থা আরও অন্তত ৩ দিন বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

গতকাল বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে বরিশালের কীর্তনখোলার পানি বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার, আবুপুরের নয়াভাঙ্গনীর পানি ৩৩ সেন্টিমিটার, ভোলার তেতুলিয়ার পানি ২০ সেন্টিমিটার, দৌলতখানের সুরমা-মেঘনার পানি ৬৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া মির্জাগঞ্জের বুড়িশ্বর-পায়রা নদীর পানি ১৬ সে.মি, আমতলী সংলগ্ন বুড়িশ্বর-পায়রার ২ সে.মি, ঝালকাঠি সংলগ্ন বিষখালীর ১২ সে.মি, বেতাগী সংলগ্ন বিষখালীর অংশে ১৬, বামনার বিষখালী অংশে ৭ এবং পাথরঘাটা সংলগ্ন বিষখালীর অংশে ২৫ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে পানির প্রবাহ। তবে ভাটার সময় এই সীমা কমে গিয়েছিল অনেকটাই।

এছাড়া ভোলার মনপুরা সংলগ্ন মেঘনার পানি বিপদসীমার ৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর নদীর পানির এই বৃদ্ধিতে প্লাবিত হয়েছে বরিশালের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। অপরদিকে গতকাল বিকেল পর্যন্ত সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ভোলায় ৫০ মিলিমিটার। এছাড়া বরিশালে ৩৯ মিলিমিটার, ঝালকাঠিতে ১৬ মিলিমিটার, পিরোজপুরে ২৩ মিলিমিটার, বরগুনায় ২২.৩, পটুয়াখালীতে ৩৬.৫ এবং ক্ষেপুপাড়ায় ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

কীর্তনখোলার গেজ রিডার আবু রহমান আজকের বার্তাকে জানান, গতকাল সোমবার কীর্তনখোলার পানি বেড়েছে আরও ৬ সেন্টিমিটার। আর গত ২ দিনে বৃদ্ধির পরিমাণ অন্তত ১৮ সেন্টিমিটার। বর্তমানে নদীর পানি বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি বলেন, পূর্ণিমার জো’র সাথে যুক্ত হয়েছে টানা বৃষ্টিপাত। এর উপর উত্তরাঞ্চলে সৃষ্ট বন্যার পানি দক্ষিণাঞ্চলের উপর দিয়ে সাগরে নামছে। ফলে কীর্তনখোলার পানির সীমা এখন ২.৭৩ মিটারে অবস্থান করছে। স্বাভাবিক অবস্থায় যা থাকার কথা ছিল ২.৫৫ মিটারে। উজানের কারণে চাপ বেড়ে যাওয়ায় বরিশালসহ বিভাগের অন্যান্য অঞ্চলের নদ-নদীর পানিও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।