বরিশালে গরুর মাংসের দাম কমলেও বেড়েছে হাঁসের মূল্য : সবজি স্থিতিশীল

প্রকাশিত: ১১:১০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০২১

মো. জিয়াউদ্দিন বাবু :: শেষ হয়ে আসছে শীত মৌসুম। সেই সাথে কমছে সবজির দামও। আলু, পেঁয়াজ এবং অন্যান্য শীতকালীন সবজির দাম কমলেও কিছু কিছু পণ্যের মূল্য বেড়েছে। তাছাড়া শীতে চাহিদা বেশি থাকায় বেড়েছে হাঁসের দাম। তবে কেজিতে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে গুরুর মাংসের দর।

শুক্রবার নগরীর বড় বাজার, হাটখোলা, পোর্টরোড, বাংলা বাজার, সাগরদী বাজার, নথুল্লাবাদ, চৌমাথা বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি ফুল কপি ১০-১৫ টাকা, ফুলকপি ১০ থেকে ১২টাকা, টমেটো ১৫ থেকে ২০ টাকা, শালগম ১৫ টাকা, সীম প্রতি কেজি ১৫ থেকে ২০ টাকা, মটরসুটি ২০টাকা, সাদা আলু ৫ কেজি ৮০ টাকা, লাল আলু ৫ কেজি ৯০ টাকা, পেঁয়াজ ৩ কেজি ৯০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ১০ টাকা কেজি দরে আমদানীকৃত পেঁয়াজ বিক্রি করছে টিসিবি। প্রতি পিস লাউ আকার ভেদে ৪০ থেকে ১০০ টাকা, পালং শাক বিক্রি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ টাকায়।

সবজি বাজারের পাশাপাশি গরুর মাংসের দাম কেজিতে ৩০ টাকা কমেছে। গত সপ্তাহে ৫৮০ টাকায় বিক্রি হওয়া গরুর মাংস এ সপ্তাহে ৫৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তবে স্থিতিশীল আছে খাসির মাংসের দাম। পূর্বের ন্যায় ৭শত টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে খাসির মাংস।

অপরদিকে, মুরগীর দাম এ সপ্তাহে স্থিতিশীল থাকলেও আগামী সপ্তাহে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কেননা বার্ডফ্লু আতঙ্কে এখনই মুরগী কেনা-বেচা কমে গেছে। শুক্রবার প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগী ১২০ টাকায়, লেয়ার ১৮০ এবং সোনালী মুরগী ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া শীতে হাঁসের চাহিদা বেশী থাকায় দামও কেছুটা বেড়েছে। হাঁস প্রতি কেজি ৩ থেকে চারশত টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। তবে কেজির থেকে পিস হিসেবে হাঁসের বেচা-বিক্রি বেশী হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

রুই-কাতল মাছের কেজি ১৫০ থেকে দুই শত টাকা, তেলাপিয়া মাছ প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। পাঙ্গাস প্রতি কেজি ১শত থেকে ১২০ টাকা, কৈ-শিং প্রতি কেজি ২০০ টাকা, পোমা ১৫০ টাকা, পাবদা ২৫০ টাকা, সুরমা ১২০ টাকা, ইলিশ মাছ ছোট আকারের প্রতি কেজি ৬শত, বড় সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮শত থেকে এক হাজার টাকার মধ্যে।

এদিকে, ডিমের দামও স্থিতিবস্থায় রয়েছে। প্রতি হালি লাল ডিম ৩০ টাকা এবং দেশী হাঁস এবং মুরগীর ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে।