বরিশালে করোনা শনাক্ত ২২, নতুন করে হোম কোয়ারেন্টিনে ২০৭

প্রকাশিত: ৩:৪০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০২০

বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় হোম কোয়ারেন্টিনে থাকাদের মধ্যে এ পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ১১১ জন ব্যক্তি ছাড়পত্র পেয়েছে। আর গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে মাত্র ১২ জনকে। পাশাপাশি নতুন করে ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল নগর ছাড়া বিভাগের ৬ জেলায় ২০৭ জনেক হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে বরিশালে প্রবেশ করেছেন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ৬ জেলায় মোট ৫ হাজার ৫৬০ জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়।

যার মধ্যে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো ৫ হাজার ১৬৯ জনের মধ্যে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১১১ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালে (প্রাতিষ্ঠানিক) কোয়ারেন্টিনে থাকা ৩৯১ জনের মধ্যে এ পর্যন্ত ১১ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ৬ জেলায় ২০৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে এবং গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ জেলার মধ্যে শুধুমাত্র পটুয়াখালী ও পিরোজপুরে ১২ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভাগের মধ্যে শুধুমাত্র বরিশাল জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১৪ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

এর বাইরে বিভাগে এ পর্যন্ত ৪২ জন রোগী আইসোলেশনে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবামেক) হাসপাতালসহ সরকারি হাসপাতালের দ্বারস্থ হন, যার মধ্যে ৩৩ জনকে এরইমধ্যে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ বাসুদেব কুমার দাস জানিয়েছেন, শেবামেক-এ করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণে পিসিআর ল্যাবের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি বিভাগের ৬ জেলার মধ্যে এখন পর্যন্ত এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীসহ বরিশালে ৯, পটুয়াখালীতে ২, পিরোজপুরে ৫, বরগুনায় ৩ এবং ঝালকাঠিতে ৩ জনের কভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া গেছে। এছাড়া পটুয়াখালী জেলার দুমকি ও বরগুনা জেলার আমতলীতে ১ জন করে ২ জন ব্যক্তির করোনায় মৃত্যু হয়েছে।

যদিও এর আগে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হওয়া ২ রোগীর করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।

Sharing is caring!