বরিশালে এইচএসসির ফল রিভিউ ৬৪২ পরীক্ষার্থীর

প্রকাশিত: ১১:২৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২১

বার্তা ডেস্ক ॥ করোনার প্রেক্ষাপটে আগের দুই পাবলিক পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছিলো সর্বশেষ এইচএসসি ও সমমানের ফল। যেখানে পাস করে শতভাগ শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পায় রেকর্ড সংখ্যক এক লাখ ৬১ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী। তবে সেই ফলে অসন্তুষ্ট ১৫ হাজার ৭২৭ জন পরীক্ষার্থী তাদের প্রকাশিত ফলের বিরুদ্ধে ‘রিভিউ’ আবেদন করেছেন। এদিকে ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সামনে আন্দোলন শুরু করেছেন ফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা। করোনার প্রেক্ষাপটে সর্বশেষ অষ্টমের সমাপনী ও এসএসসি ও সমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয় গত ৩০ জানুয়ারী। পরদিন ৩১ জানুয়ারি থেকে ফল রিভিউ করার সুযোগ দেয় শিক্ষা বোর্ডগুলো।

 

শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ছিল আবেদন করার সুযোগ। যেহেতু এবার পরীক্ষা হয়নি তাই উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের কোনো সুযোগ নেই। আবেদন করা পরীক্ষার্থীদের ফল তৈরিতে কোনো ভুলত্রুটি ছিল কি না, সেটি পর্যালোচনা করে দেখা হবে। যদি কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকে, সেটি সংশোধন করা হবে। না হলে আগের ফলই থাকবে।

 

তবে এরই মধেই বরিশাল বোর্ড নিজ থেকেই অন্তত দুজন পরীক্ষার্থীর ফল সংশোধন করেছে। তাঁদের একজন সুমী খানম। তিনি জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেলেও এইচএসসিতে প্রথম ঘোষিত ফলে পান জিপিএ-৪ দশমিক ৭৫। বিষয়টি সুমীর এক স্বজন বোর্ড কর্তৃপক্ষসহ গণমাধ্যমকেও অবহিত করেছেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে বরিশাল বোর্ড কর্তৃপক্ষ ৩ ফেব্রুয়ারি তাঁর ফল সংশোধন করে। এবার জেএসসি এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার বিষয় ‘ম্যাপিং’ (বিষয়ভিত্তিক নম্বর গণনা) করে ফল তৈরির কারণে ৩৯৬ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাননি বলে জানানো হয় ফল প্রকাশের সংবাদ সম্মেলনে।

 

আবার আগের দুই পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পেয়েও ১৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। বলা হয়েছে- সাধারণভাবে জেএসসি বা সমমান পরীক্ষার ২৫ শতাংশ এবং এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ৭৫ শতাংশ বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিবেচনায় নিয়ে এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হয়েছে। রিভিউ আবেদন শেষে রবিবার শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, তবে সেই ফলে অসন্তুষ্ট ১৫ হাজার ৭২৭ জন পরীক্ষার্থী তাদের প্রকাশিত ফলের বিরুদ্ধে ‘রিভিউ’ আবেদন করেছেন।

 

বরিশাল বোর্ডে আবেদন করেছেন ৬৪২ জন, চট্টগ্রামে এক হাজার ৮৮৫ জন, কুমিল্লায় এক হাজার ২৭ জন, ঢাকায় চার হাজার ৪১৫ জন, দিনাজপুরে এক হাজার ২২৭ জন,যশোরে এক হাজার ৬৯৪ জন, ময়মনসিংহে ৯১৬ জন, রাজশাহীতে এক হাজার ৯২২ জন, সিলেটে ৯৪৭ জন, মাদ্রাসায় ৫১৭ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ৫৩৫ জন রিভিউ আবেদন করেছেন।