বরিশালে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে আলু ৪৫ : পেঁয়াজ ৯০ টাকা

প্রকাশিত: ৯:১৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০২০

মোঃ জিয়াউদ্দিন বাবু ::

নতুন করে দাম না বাড়লেও আগের মত চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। সরকার আলুর কেজি ৩৫ টাকা নির্ধারণ করলেও ৪০ থেকে ৪৫ টাকার নিচে মিলছে না আলু। পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা করে। পেঁপে বাদে বাকি সবজি গুলোর কেজি ৫০ টাকা করে। দুই দফা আলুর দাম বেধে দেয়া হয়েছে। এরপরও দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

সরকার খুচরা আলুর কেজি ৩৫ টাকা নির্ধারণ করলেও ৪৫ টাকার নিচে মিলছে না আলু। নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। কাকরল, ঝিংগা, ঢেড়স, শীম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা করে। মূলা ২০ টাকা, শশা ৩০ টাকা করে লাল শাকের আটি ২০ টাকা, পুঁইশাক ৪০ টাকা, কাঁচা কলা হালি ৩০ টাকা, দেশী হাঁসের ডিম ও মুরগীর ডিম হচ্ছে ৫০ টাকা প্রতি হালি, লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৮ টাকা করে। যা গত কয়েক সপ্তাহ যাবত একই দামে বিক্রি হচ্ছে।

মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি করে। বড় লাউ ১০০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। কেউ ইচ্ছা করলে কেজি হিসেবেও নিতে পারেন। বাজারে প্রচুর মাছ রয়েছে, দামও কম। গ্রামাঞ্চলে পানি উঠে যাওয়ায় মাছের দাম কমে গেছে। তেলাপিয়া, পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ১ শত ২০ টাকা করে, কাতল, রুই বিক্রি হচ্ছে ২ শত ৫০ টাকা করে। কার্প জাতীয় মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা করে। পোমা বিক্রি হচ্ছে ১ শত ৫০ টাকা করে।

বাজারে প্রচুর মাছ থাকায় দামও অনেক কম।

অপর দিকে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা করে। খাসি বিক্রি হচ্ছে ৭ শত ৫০ টাকা করে, ব্রয়লার ১ শত ২০ টাকা, সোনালী ১ শত ৯০ টাকা, লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ২ শত ২০ টাকা করে। আলু এবং পেঁয়াজের দাম দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই বিপদের মধ্যে পড়তে হচ্ছে।

Sharing is caring!