বরিশালের বাজারে শীতকালীন সবজির সমারোহ : ঝাঁজ কমেনি পে‍ঁয়াজের: কমেনি আলুর দামও


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ৯:২০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৩, ২০২০

মোঃ জিয়াউদ্দিন বাবু ::

বাজারে শীতকালীন সবজি উঠেছে প্রচুর। গত সপ্তাহের চেয়ে এ সপ্তাহে কিছু কিছু সবজির দাম কমেছে। গত সপ্তাহে শিম বিক্রি হয়েছে ১ শত ২০ টাকা করে। গতকাল সেই শিমের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। প্রতিকেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা করে। ফুলকপি, বাধা কপি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা। বাজারে পেঁয়াজের ঝাঁজ কমেনি। কমেনি আলু দামও।

ব্যবসায়ীরা জানান আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শীতের সবজির দাম আরো কিছুটা কমে যাবে বলে আশা করি। শালগম বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। তবে পেঁয়াজ এখনো ৭৫ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা করে। বেগুন ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়, টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১ শত টাকা করে। পুঁই শাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা করে।

মুলা প্রতিকেজি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল শাক, পালং শাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা করে। করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা করে। মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, লাউ ছোট ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, বড় লাউ ৮০ থেকে ১ শত টাকা করে। মাংসের দাম একই রয়েছে। গত সপ্তাহে যে দামে বিক্রি হয়েছে এ সপ্তাহে একই দামে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৫ শত ৮০ টাকা করে। কয়েক মাস যাবত একই দামে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ১ শত ২০ টাকা করে।

সোনালী ১ শত ৯০ টাকা করে, লেয়ার ২ শত টাকা করে প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশী মুরগীর ডিম ও হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা করে। লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা করে। রুই-কাতল ৩ শত থেকে সাড়ে ৩ শত টাকা, তেলাপিয়া ১ শত টাকা, পাঙ্গাস ১ শত ৩০ টাকা প্রতিকেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ি ছোট ৪৫০ টাকা ও বড় চিংড়ি ৬ শত টাকা, পোমা ৩ শত টাকা করে, শিং-কৈ ৩ শত টাকা করে।

সিলভার কার্প ১ শত ২০ টাকা থেকে ১ শত ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। মাছ ও মাংসের দাম কম থাকলেও সবজির দাম বাড়তি থাকায় মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে কষ্টের মধ্যে পড়তে হচ্ছে।