বরগুনায় নৌকার মেয়র প্রার্থী কামরুল আহসান’র ইশতেহার ঘোষণা

প্রকাশিত: ৯:২৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০২১

তরিকুুল ইসলাম রতন, স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরগুনা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।
সোমবার (১১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সম্মেলন কক্ষে এই ইশতেহার ঘোষণা করেন তিনি।

এই ইশতেহারে ৩১ দফা উন্নয়নের ফিরিস্তি পাঠ করেন নির্বাচন পরিচালনা মিডিয়া সেলের আহবায়ক ও জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সরোয়ার টুকু। ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে- বরগুনা পৌরসভাকে নান্দনিক, জন-সেবামূলক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পৌরবাসীর জন্য নিরাপদ ও সুপেয় পানি সরবরাহ করা, জলাবদ্ধতা নিরসন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ক্লিন বরগুনা, শিশুদের জন্য শিশু পার্ক নির্মাণ, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন, সকল ঠিকাদারদের জন্য কাজের টেন্ডার উন্মুক্ত করা, সন্ত্রাস চাঁদাবাজ নির্মূল করা, ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু করা ইত্যাদি। এসময়ে মেয়র প্রার্থী অ্যাড. কামরুল আহসা

ন মহারাজ বলেন, বরগুনার সাবেক মেয়র শাহাদাত হোসেন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন না পেয়ে গত ২০১৫ সালের মেয়র নির্বাচনেও বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন।
বর্তমানে তিনি শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। দুর্নীতির কারণে এবছরও তিনি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, মেয়র শাহাদাত হোসেন ছিলেন মাত্র ১৮ শত টাকা বেতনের একজন করণীক। মেয়র হয়ে বর্তমানে তিনি শত শতকোটি টাকার মালিক হয়েছেন।
এবার তার মেয়ে মহাসিনা মিতুলকেও মেয়র প্রার্থী করেছেন। বিগত ১০ বছরে তিনি বরগুনা পৌরসভার কোন উন্নয়ন করেননি।

বরগুনা পৌরসভায় ঠিকাদারী লাইসেন্স ছিলো মোট ৩১০ টি। তিনি লাইসেন্সের ভিতর মেয়রের ৬ টি ব্যতীত ৩০৪ টি লাইসেন্স নবায়ন বাতিল করেন এবং তার ৬টি লাইসেন্সের কাজ তিনি একাই করাতেন। গত ১০ বছরে ৩০৪ টি লাইসেন্স নবায়ন না দেওয়ায় সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারিয়েছে। এছাড়াও তিনি বলেন, আল্লাহপাক রাব্বুল আলামীন যদি আমাকে নির্বাচিত করেন তাহলে বরগুনা পৌরসভার সকল অনিয়ম ও দুর্নীতি আমি রোধ করবো ইনশাআল্লাহ।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: দেলোয়ার হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি মো: হুমায়ূন কবীর, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মোতালিব মৃধা, যুগ্ম সম্পাদক আব্বাস হোসেন মন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সরোয়ার টুকু, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান নশা, সদস্য মো: শাহজাহান, সদস্য মশিউর রহমান শিহাব, জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন সাবুসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।