বরগুনায় আসামীদের গ্রেফতার না করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ৮:২৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৯, ২০২১

তরিকুল ইসলাম রতন, স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরগুনার বেতাগী থানার উপ-পরিদর্ষক গৌতম কুমার ঘোষের বিরুদ্ধে আসামীদের গ্রেফতার না করার অভিযোগ এনে ভুক্তভোগী পরিবার সংবাদ সম্মেলন করেছে। এসময় তাদের নিকটতম আত্মীয় স্বজন উপস্থিত ছিলেন। শনিবার (০৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২ টার সময় বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করে স্বপন বলেন, বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার কাউনিয়া বাজারে কাজ শেষ করে রাত আনুমানিক সাড়ে ১০ টায় বাড়ী রওনা দিয়ে কাউনিয়া ব্রিজের উপর পৌঁছালে পূর্ব কাউনিয়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে সোহাগ ও বেল্লাল হোসেন, সত্তার কবিরাজের ছেলে হোচেন আলী, অজেদ হাওলাদারের ছেলে মিরাজ, হালিম তালুকদারের ছেলে আলমগীর ও মুকুন্দ দাসের ছেলে অতুল দাস আমাকে খুন করার জন্য আক্রমণ করে। তখন আসামীদের সঙ্গে এক পর্যায়ে আমার ধস্তা-ধস্তি হয়। পরে আসামীরা আমাকে খুন করতে না পেরে চাকু দিয়ে আমার বাম চোখ তুলে নেয়। আমি এখন একটি চোখ নিয়ে বেঁচে আছি। এই মামলার প্রধান আসামী সোহাগ কাউনিয়া বাজারে নাভানা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও সুবিদখালী মডার্ণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করে আসছে। প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায় সোহাগ। অথচ তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামীকে গ্রেফতার করছে না। আসামী ফেস বুক চালায়, ফোন খোলা। পুলিশ খুঁজে পায় না।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা বেতাগীর ছেলে কফি হালদার সজল ও সহিদ সোহাগের পক্ষে পুলিশের নিকট তদ্বির করে। যার কারণে পুলিশ সোহাগকে গ্রেফতার করে না। স্বপন বলেন, আমি ঢাকায় একটি পত্রিকা ( প্রথম আলো) অফিসের ড্রাইভার ছিলাম। সেখানের চাকরী ছেড়ে উবারে গাড়ী চালিয়ে পরিবার নিয়ে ভালো ছিলাম। সোহাগের কাছে দুই লাখ বিশ হাজার টাকা পাই। সেই টাকা চাইতে গেলে তারা আমাকে চোখ উঠিয়ে দেয়।

এই ঘটনার আগে ৩১ আগষ্ট স্বপনের বিরুদ্ধে সোহাগ বাদী হয়ে একটি মামলা করে। স্বপন মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হলে সেই ঘটনা দেখিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করে। এবিষয়ে বেতাগী থানার উপপরিদর্শক গৌতম কুমার ঘোষ বলেন, স্বপনের অভিযোগ সঠিক নয়। মামলা হওয়ার পর থেকে সোহাগ পলাতক। বেল্লাল ও হোসেনকে গ্রেফতার করেছি। তারা আদালত থেকে জামিনে আছে। সোহাগকে গ্রেফতার করার জন্য সোর্স নিয়োগ করেছি এবং তাকে গ্রেফতারের জন্যে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।