ববির চলমান সংকট নিয়ে সকল পক্ষ কে নিয়ে আজ বৈঠক করবেন ভিসি

প্রকাশিত: ১:৪৬ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় চিহ্নিত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের বিষয়ে আলোচনা করেছে বরিশাল বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা। বুধবার দুপুর ১টায় ক্যাম্পাসে উপাচার্যের সভাকক্ষে এ আলোচনায় বসেন তাঁরা। এ সভা থেকে আজ বুধবার সকল পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উপাচার্য। এর মাধ্যমে একটি চলমান সমস্যার সমাধান হবে বলে আশাবাদী উপাচার্যের। তবে শিক্ষার্থীরা তাদের ওপর চিহ্নিত হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা প্রদানসহ তিন দফা দাবিতে অটল রয়েছেন।

বৈঠক ফলপ্রসু না হলে ফের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা। আলোচনা শেষে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি অমিত হাসান রক্তিম বলেন, ‘গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে নগরীর রূপাতলী এলাকায় আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় জড়িত চিহ্নিত দুর্বৃত্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে আমরা আলোচনা করেছি’।

তিনি আরো বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা চলমান সংকটের একটি স্থায়ী সমাধান প্রত্যাশা করছে। একই সঙ্গে এমন ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে ব্যাপারে আমরা নিশ্চয়তা চাই। এসব ব্যাপারে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে বলে আলোচনা সভায় বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তাদের ওপর হামলার ঘটনায় চিহ্নিত দোষীদের দ্রুত বিচার চাচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবহন মালিক-প্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনায় বসে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানায় তারা। বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণে পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে’।

উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় চিহ্নিত হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে গত সাতদিন যাবৎ বরিশাল-পটুয়াখালী-ভোলা মহাসড়ক অবরোধসহ নানা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে বরিশাল বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা।

তবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বিশ^বিদ্যালয় দিবস ও চরমোনাই বার্ষিক মাহফিল উপলক্ষে জনদূর্ভোগের কথা বিবেচনা করে গত ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করে শিক্ষার্থীরা। তবে তাদের অন্যান্য কর্মসূচি চলমান রয়েছে।