বদলে গেছে কুয়াকাটা জোনের ট্যুরিস্ট পুলিশ

প্রকাশিত: ৮:২৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৯, ২০২১

কুয়াকাটা প্রতিনিধি ॥ ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই পর্যটক বান্ধব না থাকার অভিযোগ ছিল পর্যটকসহ স্থানীয় ট্যুরিজম ব্যবসায়ীদের। জেলা পুলিশসহ অপরাপর পুলিশের পদায়নে চলছিল তথাকথিত ট্যুরিস্ট পুলিশিং। যথাযথ প্রশিক্ষণ না দিয়েই এসব পুলিশ অফিসার পর্যটকদের দেখভালের দায়িত্ব থাকলেও উল্টো শাসন শোষনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকরা। সম্প্রতি কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সোহরাব হোসাইন যোগদানের পর বদলে গেছে ট্যুরিস্ট পুলিশের দৃষ্টিভঙ্গি, পাল্টে গেছে সৈকতের চিরচেনা দৃশ্য। গত কয়েকদিন ধরে সৈকতের ব্যবসায়ীদের নিয়ে দফায় দফায় মিটিং করে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় নিয়ে এসেছেন বেঞ্চ ছাতা, ট্যুরিস্ট বোট, ট্যুরিস্ট গাইড, ক্যামেরাম্যান, স্ট্রিট ফুডসহ সৈকত কেন্দ্রিক ব্যবসায়ীদের। সর্বশেষ মঙ্গলবার দুপুরের দিকে শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী ও কুয়াকাটা জোনের ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যরা দুই ঘণ্টাব্যাপী কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্টের দু’দিকে এক কিঃমিঃ এলাকা পরিচ্ছন্নতায় নামেন। এসময় আগত পর্যটকরাও এসব কার্যক্রমে অংশ নেন। সৈকত পরিচ্ছন্নতায় অংশ নেওয়া ঢাকা থেকে আসা পর্যটক জোবায়ের আহম্মেদ বিন্দু আজকের বার্তাকে বলেন, শুধু ফটোসেশন করে লাভ হবে না, পরিচ্ছন্ন্তা শুরু হোক নিজ থেকে। তার মতে, একজন পর্যটক হিসেবে তারও দায়িত্ব রয়েছে। একবার ব্যবহারযোগ্য পণ্য সৈকতে ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

প্রশস্ত ও ঝকঝকে সৈকতে নেমে বিমোহিত পর্যটক আনিসুর রহমান মঙ্গলবার বিকেলে জানিয়েছেন, সৈকত পরিচ্ছন্নতা একটি চলমান প্রক্রিয়া। ট্যুরিস্ট পুলিশের এমন কার্যক্রমের কথা জেনে তিনি আরও বলেন, রুটিন করে সৈকত পরিচ্ছন্নতায় নামা উচিত, সত্যিই এখন অসাধারণ লাগছে কুয়াকাটা সৈকতকে।
সৈকতের ক্যামেরাম্যান আল-আমিন ও বাদল আজকের বার্তাকে বলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের আয়োজনে সব কিছুই সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় নিয়ে এসেছেন। ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সিনিয়র এএসপি সোহরাব হোসাইন বলেন, এখন থেকে রুটিন করে সপ্তাহে একদিন করে সৈকত পরিচ্ছন্নতায় নামা হবে। কুয়াকাটাকে পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত করতে কাজ করে যাবে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ।