ফারহান লঞ্চের চালক-মাস্টারকে গ্রেফতার ও লঞ্চ জব্দের নির্দেশ

প্রকাশিত: ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০২০

চাঁদপুরের মাঝ কাজীরচর সংলগ্ন মেঘনা নদীতে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত এবং আটজন আহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া এমভি ফরহান লঞ্চের মাস্টার-চালককে গ্রেফতার ও লঞ্চটি জব্দের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনায় নিহতরা মা-ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গাড়ুরিয়া ইউনিয়নের ভান্ডারিকাঠি গ্রামের রুবেল খানের স্ত্রী মাহমুদা বেগম (২৪) ও তার ছেলে মুমিন খান (৭)।

অন্যদিকে আহতদের উদ্ধার করে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতদের মধ্যে নিহত দুজনসহ আহত তিনজন এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের এবং বাকি আহত পাঁচজন এমভি ফারহান-৯ লঞ্চের যাত্রী ছিলেন।

রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে বরিশাল-ঢাকা নৌপথের মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কীর্তনখোলা লঞ্চের একাধিক যাত্রী জানান, রোববার রাত ৯টার দিকে বরিশাল থেকে যাত্রী নিয়ে এমভি কীর্তনখোলা-১০ ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। রাত ১টার দিকে লঞ্চটি চাঁদপুরের মাঝ কাজীরচর সংলগ্ন মেঘনা নদী অতিক্রমের সময় ঢাকা থেকে পিরোজপুরের হুলারহাটগামী এমভি ফারহান-৯ লঞ্চটি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের ডান পাশে মাঝ বরাবর সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে কীর্তনখোলা লঞ্চের মাঝ বরাবর দ্বিতীয় তলার অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

দুর্ঘটনায় কীর্তনখোলা লঞ্চের দ্বিতীয় তলার ডেকে থাকা যাত্রী মা মাহমুদা বেগম ও তার ছেলে মুমিন নিহত হন। দুর্ঘটনায় ওই লঞ্চের আরও তিন যাত্রী আহত হন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনার পর লঞ্চটি দ্রুত চাঁদপুর নদীবন্দরে গিয়ে আহত তিনজনকে চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করে।

Sharing is caring!