প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে রাত কাটালেন কনস্টেবল, ধরে থানায় নিলেন এসআই!


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ৪:৫০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৯

রাঙামাটির বরকল উপজেলার একটি রেস্ট হাউসে প্রবাসীর এক স্ত্রীকে নিয়ে ওই থানার কনস্টেবল কামরুল হাসানের রাত কাটানোর খবর পেয়ে সেখানে যান এসআই সানোয়ার ও এসআই আশরাফ। গত রোববার  সকালে তাদের দুজনকে থানায় ধরে আনা হয়। এরপর চলে জিজ্ঞাসাবাদ।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বরকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন তাদের থানা থেকে ছেড়ে দেন। বরকল থানার ওসি জসিম উদ্দিনের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী জানান, তিনি একজন প্রবাসীর স্ত্রী। তিনি ঢাকায় থাকেন। আর কনস্টেবল কামরুল তার খালাতো ভাই। সেখান থেকে বেড়াতে আসবেন বলে গত ২৯ আগস্ট রাঙামাটি জেলার গোয়েন্দা পুলিশ সদস্য (ডিএসবি) মাহফুজের মাধ্যমে বরকল সদরে রেস্ট হাউসের রুম বুক করেন কামরুল। গত ৩০ আগস্ট সকালে সেখানে পৌঁছান তারা। পরের দিন বরকল সদরে রেস্ট হাউসে ওই নারীকে নিয়ে রুমে ওঠেন কনস্টেবল কামরুল।

জানা যায়, ওই নারীকে নিয়ে এক পুলিশ সদস্য রেস্ট হাউসের রুমে উঠেছেন, এ খবর ছড়িয়ে পড়লে গত রোববার সকালে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। এতে নেতৃত্ব দেন বরকল থানার এসআই সানোয়ার ও এসআই আশরাফ। সেখান থেকে ওই নারী ও পুলিশ কনস্টেবলকে ধরে আনা হয় বরকল থানায়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই থানার কনস্টেবল কামরুলকে অসুস্থ দেখিয়ে জরুরি ছুটিতে পাঠান ওসি জসিম উদ্দিন।জিজ্ঞাসাবাদে কনস্টেবল কামরুলকে খালাতো ভাই বলে দাবি করেন প্রবাসীর ওই স্ত্রী। তবে এ বিষয়ে ওসি জসিম উদ্দিন বলেন, ‘কনস্টেবল কামরুল তার মিসেসকে নিয়ে ওখানে (রেস্ট হাউস) উঠছে। কিন্তু লোকজন বলছে, ওই নারী তার স্ত্রী না।’

জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই নারী একটি মোবাইল নম্বর দেন। পুলিশের কাছ থেকে সেটি সংগ্রহ করে ফোন করা হয় সেই নম্বরে। একজন পুরুষ সেটি ধরেন। পরে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ‘রং নম্বর’ বলে ফোন কেটে দেন তিনি।জানতে চাইলে কনস্টেবল কামরুলকে রেস্ট হাউসের রুম বুকিং করিয়ে দেওয়া ডিএসবি মাহফুজ বলেন, ‘ঢাকা থেকে স্ত্রীকে নিয়ে রাঙামাটি আসবেন বলেই কনস্টেবল কামরুলের অনুরোধেই কক্ষ ভাড়া নিয়েছিলাম। এরপর কী হয়েছে আমি জানি না।’

এ বিষয়ে বরকল সদরে রেস্ট হাউজের কেয়ারটেকার বুমং রাখাইন বলেন, ‘ফ্যামিলি (স্ত্রী) নিয়ে আসবেন বলেই মাহফুজ স্যারের অনুরোধে রুম দিয়েছি। রাতে আমি সেখানে ছিলাম না। সকাল ১০টার পর খবর পাই দুজনকে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।‘থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের দুজনকেই ছেড়ে দেয় পুলিশ।