পেঁয়াজের কেজি ১ শ টাকা : বরিশালে দাম বাড়ছে নিত্যপণ্যের

প্রকাশিত: ৯:০৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০

মোঃ জিয়াউদ্দিন বাবু  ::

গত সপ্তাহে সবজির দাম কম থাকলেও আবার এ সপ্তাহে সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১ শত টাকা করে প্রতি কেজি। বিদেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা করে। এরপর রয়েছে শশা- প্রতি কেজি ১ শত টাকা। এর পরপরই রয়েছে বরবটি প্রতি কেজি ৬০ টাকা করে। সবজি ব্যবসায়ী কামাল, মিন্টু মজিবর জানান, গ্রামাঞ্চলে পানি উঠে যাওয়ায় আবারও জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে।

শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১ শত টাকা করে প্রতিকেজি। বিদেশী পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা করে। ঢেরস বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা করে। করলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা করে। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা করে। ঝিংগা বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা করে। পুঁই শাক প্রতি আটি ৪০ টাকা, লাল শাক ১৫ টাকা প্রতি আটি, মূলা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা করে।

গত সপ্তাহের চেয়ে এ সপ্তাহে সব সবজির দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে গেছে। তবে মাছ মাংসের দাম একই রয়েছে। ডিম দেশী মুরগীর ৫০ টাকা হালি, হাঁসের ডিম একই দামে। লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা করে। ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ১ শত ২০ টাকা করে, সোনালী ২ শত ২০ টাকা, লেয়ার ২ শত ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহে একই দামে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৫ শত ৮০ থেকে ৬ শ টাকা প্রতিকেজি করে।

বাজারে প্রচুর মাছ রয়েছে, ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ছোট ৭ শত টাকা করে। বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১২ শত টাকার মধ্যে। রুই, কাতল বিক্রি হচ্ছে ৩ শত ৫০ থেকে ৫ শত টাকা করে। কই মাছ বিক্রি হচ্ছে ১ শত ৩০ থেকে ১ শত ৫০ টাকা করে। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ১ শত ২০ থেকে ১ শত ৩০ করে। পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ১ শত ৩০ থেকে ১ শত ৫০ টাকা করে। দেশী পোমা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৫ শত টাকা করে প্রতিকেজি। যা গত সপ্তাহে একই দামে বিক্রি হয়েছে।

ছোট ছোট বিভিন্ন ধরনের মাছ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৮শত থেকে ১ হাজার টাকা করে। রুপচাঁদা বিক্রি হচ্ছে ৬ শত টাকা করে। সাগরের পোমা বিক্রি হচ্ছে ৩ শত থেকে ৪ শত টাকা করে। শিং মাছ বিক্রি হয়েছে ৪ শত থেকে ৫ শত টাকা করে প্রতিকেজি। বাজারে প্রচুর মাছ রয়েছে যা মানুষের কেনার সাধ্যের মধ্যে রয়েছে।

তবে গত সপ্তাহের চেয়ে এ সপ্তাহে সবিজর দাম বেড়ে যাওয়াতে অনেককেই বিপদের মধ্যে পড়তে হয়েছে।

Sharing is caring!