পায়ে পিন রেখেই অপারেশন সম্পন্ন করলেন চিকিৎসক !

প্রকাশিত: ১০:৫৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
পায়ে নিডেল /পিন রেখেই  অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এবিষয়ে ২১সেপ্টেম্বর শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রেসক্লাবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ইদ্রিস আলী।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, ডান পায়ে পিন/ নিডেল ডুকায় ৮ আগস্ট গাজীপুর শ্রীপুরের নয়নপুর বাজারের তানিয়া হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা নিতে যান একই উপজেলার কাওরাইদের নান্দিয়া সাংগুন গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিনের সন্তান হাফেজ ইদ্রিস আলী।হাসপাতালের ডাঃ মোঃ শামিম আক্তার তার পা পরীক্ষা নিরিক্ষা করে পায়ের ভিতরে ২টি পিন / নিডেল আছে, জরুরী ভিত্তিতে অপারেশন করতে হবে জানালে, রাত ১১টায় ইদ্রিস আলী পায়ের অপারেশন করান।
পরবর্তীতে পায়ে তীব্র ব্যাথা অনুভব করায় পুনরায় চিকিৎসকের কাছে গেলে চিকিৎসক তাকে ঔষধ লিখে দিয়ে নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেন। ঔষধ খাওয়ার পর ব্যথা না কমে আরও বেড়ে যাওয়ায় ইদ্রিস চিকিৎসকের মোবাইলে ফোন দিলে তিনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করেন। পরে ইদ্রিস আলী জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের (নিটোর) পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আব্দুল গণী মোল্লার কাছে গেলে তিনি পরীক্ষা করে পায়ে ২টি নিডেল / পিন রয়েছে ও ইনফেকশন হয়েছে বলে জানান। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে তানিয়া হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খোকন মিয়াকে বিষয়টি জানালে তিনি কর্নপাত না করে হুমকি দিয়ে হাসপাতাল থেকে বের করে দেয়।
এবিষয়ে ডাঃ শামিম আক্তার সাংবাদিকদের জানান, অপারেশনের পর তিনি আমাকে ব্যথার কথা বললে আমরা আবার তাকে অপারেশনের কথা বলেছিলাম কিন্তু তিনি আমাদের মাধ্যমে করাতে রাজি হয়নি, আর আসেনি। হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিষয়টি মিমাংসা করার চেষ্টা করছেন। আপনারা তার সাথে কথা বলুন।
এবিষয়ে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খোকন মিয়া জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য চেষ্টা চলছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা হবে।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ শামসুল আরেফীন জানান, অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
##আরিফ প্রধান, গাজীপুর প্রতিনিধি :

Sharing is caring!